স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: এসএসসির শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষাতেই প্রশ্নের উত্তর ভুল৷ সঠিক লিখেও সাফল্য আসেনি৷ প্রতিবাদে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন পরীক্ষার্থী৷ রায়ে বিচারপতি শেখর ববি সরাফের কমিশনকে নির্দেশ, ভুলের মাশুল হিসাবে ওই প্রশ্নের বদলে এক নম্বর করে

প্রার্থীদের দিতে হবে৷ এমনকি ওই নাম্বার যোগ করে যদি দেখা যায় যে নিয়োগ তালিকার সর্বশেষ প্রার্থীর চেয়েও বেশি নাম্বার পেয়েছেন মামলাকারি, সেক্ষেত্রে এসএসসিকে এবিষয়ে বিবেচনা করে দেখতে হবে৷
বৃহস্পতিবার মামলা চলাকালীন

আরও পড়ুন: স্যান্ড পেপার কেলেঙ্কারি এবার বিজ্ঞাপনে

মামলাকারীর পক্ষের আইনজীবী আশিসকুমার চৌধুরি আদালতে জানান, ২০১৬-র ইতিহাস বিষয়ক শিক্ষক নিয়োগের এসএলএসটি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের ৪০ নম্বর দাগের প্রশ্নে ছিল, গান্ধির আরউইন চুক্তি কবে সম্পাদিত হয়? এটি ঐতিহাসিক প্রশ্ন এবং ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক ঐতিহাসিক দিন। শিক্ষক নিয়োগ দফতরের পরীক্ষক কিভাবে প্রশ্নের ভুল উত্তর সঠিক হিসাবে নির্ধারিত করে?

এরপর এসএসসির আইনজীবী ডঃ সূতনু পাত্র এসএসসির ওই প্রশ্নের উত্তর ভুলের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ‘ওই প্রশ্নে ভুল ছিল।’ মামলার বয়ান অনুযায়ী আইনজীবী আশিসকুমার চৌধুরি জানান ২০১৬-তে এসএলএসটির ইতিহাসের শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা হয়। এরপর এসএসসি এই পরীক্ষা সংক্রান্ত উত্তরপত্র প্রকাশিত করে। সেখানে দেখা যায় ৪০ নাম্বর দাগের প্রশ্নের উত্তর ভূল রয়েছে।

আরও পড়ুন: সল্টলেকের CRPF ক্যাম্প থেকে ধৃত সন্দেহজনক দুই ব্যাক্তি

মামলাকারি নিতিশ সরকার সহ কয়েকজন পরীক্ষার্থীর অভিযোগ, ওই প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়ার সত্ত্বেও নাম্বর দেওয়া হয়নি৷ এসএসসির ওই উত্তরপত্রকে চ্যালেঞ্জ করে ২০১৮-র অগাস্টে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন পরীক্ষার্থীরা। গত শুনানিতে বিচারপতি এসএসসিকে প্রার্থীদের উত্তরপত্র পেশের নির্দেশ দেয়।

এদিন ওই উত্তরপত্র আদালতে জমা দেন এসএসসির আইনজীবী। তা খতিয়ে দেখতে গিয়ে বিচারপতি সরাফ দেখেন মামলাকারিরা সঠিক উত্তর দেওয়ার সত্ত্বেও নাম্বার পাননি। সবপক্ষ খতিয়ে দেখে ওই ভুল প্রশ্নের নির্ধারিত এক নাম্বার প্রার্থীদের দিতে নির্দেশ দেয় আদালত।

--
----
--