গোপন জবানবন্দির আর্জি মঞ্জুর কুণালের

সারদা-কাণ্ডে তদন্তের স্বার্থে গোপন জবানবন্দি দেবেন সাংসদ-সাংবাদিক কুণাল ঘোষ। শুক্রবার বিধাননগর মহকুমা আদালতে কুণাল ঘোষকে ফের তোলা হলে ১৪দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় বিচারক অপূর্ব কুমার ঘোষের বেঞ্চ। এরপরেই আদালতের কাছে আইনজীবী মারফৎ গোপন জবানবন্দির দেওয়ার আর্জি জানান সারদা-কাণ্ডে অভিযুক্ত কুণাল। আদালত কুণালের আর্জি মঞ্জুর করে। আদালত সূত্রে খবর, সম্ভবত আগামী ২ ডিসেম্বর ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে সারদা-কাণ্ডে গোপন জবান বন্দি দেবেন কুণাল।

bjp-bikkhob-2
আদালত চত্বরে বিজেপি সমর্থকদের বিক্ষোভ৷

এদিন শুনানিতে ফের কুণাল ঘোষকে জামিন দেওয়ার আবেদন জানানো হয় আদালতের কাছে। তবে, আদালত তা গ্রাহ্য করেনি। কুণাল ঘোষের আইনজীবী সৌম্যজিৎ রাহা শুনানিতে জানান, দীর্ঘ পাঁচদিন পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার পরেও কেন ফের জেল হেফাজতের প্রয়োজন রয়েছে সেই বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন। এমনকি অভিযোগ করেন, কুণাল ঘোষের বাড়ি থেকে যে কম্পিউটার এবং হার্ড ডিস্কটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, সেখান থেকে কোনও গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। তবে, এই বিষয়ে সরকারি আইনজীবী জানান তদন্তের স্বার্থে কুণালকে জেল হেফাজতে রাখা প্রয়োজন। পুলিশ হেফাজতে কুণাল ঘোষকে রাখাকালীন সারদা-কাণ্ডে আরও নয়া তথ্য পুলিশের কাছে এসেছে। আদালতে এদিন সরকারি আইনজীবী চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আনে সারদার গ্রুপ মিডিয়ার সিও কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে। তিনি অভিযোগ করেন, কোম্পানি বন্ধ হওয়ার সময়ে চিঠিতে সুদীপ্ত সেন কুণালকে জানিয়েছিলেন ‘আপনারা কোম্পানি থেকে ইস্তফা দেওয়ার পরেই কোম্পানি বন্ধ করা হবে’। আদালত  শুনানিতে দুই পক্ষের আইনজীবীর সওয়াল জবাব শেষে ১৪দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। আদালত থেকেই কুণালকে সরাসরি দমদম সংশোধনাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

অন্যদিকে, শুনানি চলাকালীন আদালতের বাইরে সারদায় সিবিআই তদন্তের দাবিতে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। যে কোনও ধরনের ঘটনা এড়াতে আদালতের বাইরে মোতায়েন করা হয়েছিল বিশাল পুলিশবাহিনী।

Advertisement ---
---
-----