জয়ে ফিরল মোহনবাগান

এরিক মুরান্ডা এবং রাম মালিকের যুগলবন্ধি৷ তাতেই কেল্লা ফতে৷ চার ম্যাচ পরে জয়ে ফিরল মোহনবাগান৷ বৃহস্পতিবার বারসত বিদ্যাসাগর ক্রিড়াঙ্গনে প্রিমিয়র লিগে নিজস্ব ছন্দে খেলে আর্মি একাদশকে ৩-০ গোলে হারিয়ে দিল সবুজ-মেরুন৷ মোহনবাগানের একটি গোল করেন এরিক৷ বাকি দুটো গোলের ক্ষেত্রেই অবদান রাখলেন এই নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার৷ তাই ম্যাচের নায়ক এরিককেই বাছা হয়েছে৷ তবে এরিক ছাড়াও এদিন তরুণ ফুটবলার রাম মালিক অনবদ্য ফুটবল উপহার দিলেন৷ সবুজ-মেরুনের হয়ে প্রথম গোলও করে ফেললেন এদিন৷ ভবিষ্যতে রাম মালিক যে আরও ডানা মেলবেন সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই৷ অনেক দিন পরে সবুজ-মেরুন সমর্থকদের প্রাণ খুলে হাসতে দেখা গেল বারাসতে৷ করিমের মুখেও হাইভোল্টেজ হাসি!

এদিন শুরু থেকেই গোল করার তাগিদ লক্ষ্য করা গেল বাগান ফুটবলারদের মধ্যে৷ রাম মালিক, জাকির, সাবেথ, ওয়াহিদ, এরিকরা পরপর আর্মির বক্সে হানা দিলেন৷ তাতে চূড়মার হয়ে গেল সেনাবাহিনীর সব রক্ষণ৷  ১৩ মিনিটেই রাম মালিকের গোলে এগিয়ে যায় সবুজ-মেরুন৷ উঁচু ভেসে আসা বল ধরে বাঁ-প্রান্ত বরাবর আক্রমণ করেন এরিক মুরান্ডা৷ এরিকের শট আর্মির গোলরক্ষক প্রতিহত করলে ফিরতি বলে গোল করেন রাম মালিক৷ ২৪ মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে সরাসরি গোল করলেন এরিক৷ দু’গোলে এগিয়ে যাওয়ার পরেও থেমে থাকেনি করিমের ছেলেরা৷ ৩৬ মিনিটে প্রতি-আক্রমণে এরিকের পাস ধরে সাবেথ গোল করেন৷ বিরতিতে তিন গোলেই এগিয়ে ছিল মোহনবাগান৷ বিরতির পরে দুটো দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার চেষ্টা করে৷ মোহনবাগান গোল সংখ্যা বাড়াতে পারেনি ঠিকই তবে সুযোগ ঠিকমতো কাজে লাগাতে পারলে এরিক আরও দুটো গোল পেতে পারতেন৷ ৫৫ মিনিটে পেনাল্টি পেয়েছিল আর্মি৷ বক্সে আইবর হ্যান্ড বল করার জন্য পেনাল্টি দেয় রেফারি৷ কিন্তু পেনাল্টি নষ্ট করে আর্মি একাদশ৷ অন্তিম পর্বেও গোলের ব্যবধান কমানোর সুযোগ পেয়েছিল আর্মি৷ কিন্তু শিলটনরা তৎপর থাকার জন্য গোল পায়নি তারা৷

ম্যাচের নায়ক এরিক বলেছেন, ‘নিজে ম্যান অফ দি ম্যাচ হয়েছি বলে খুশি নিশ্চয়৷ তবে দলকে জেতাতে পেরে খুব ভাল লাগছে৷’ একইসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘আরও গোলের সুযোগ পেয়েছিলাম৷ গোলের সংখ্যা বাড়াতে পারলাম না বলে একটু খারাপ লাগছে৷ ওডাফার মাঠে নামার অপেক্ষায় রয়েছি৷ আশা করি ওর সঙ্গে জুটি বেশ জমে উঠবে৷’

Advertisement
-----