স্টাফ রিপোর্টার, রায়গঞ্জ: ভোকেশনাল শিক্ষকদের কনভেনশন অনুষ্ঠিত হল রায়গঞ্জের স্থানীয় ইন্সটিটিউট মঞ্চে। রবিবার এই কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসাবে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন রাজ্যের কারিগরি দফতরের পূর্ণমন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসু।

এদিন বৃত্তিমূলক বিভাগে ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, প্রশিক্ষকদের পদযাত্রা সহ একাধিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় ইন্সটিটিউট প্রাঙ্গণে। ভোকেশনাল টিচার্স অ্যান্ড ট্রেনার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের রাজ্য সভাপতি অর্পণ মজুমদার এদিন সাত দফা দাবি পত্র তুলে ধরেন কনভেনশন মঞ্চে। দাবিগুলির মধ্যে পার্ট টাইম প্রথা বন্ধ, সামাজিক সম্মানজনক ষাণ্মাসিক ভাতা বৃদ্ধি, সামাজিক সুরক্ষা ও সরকারি সুযোগ-সুবিধা প্রদান, শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগ সহ একাধিক দাবি তুলে ধরা হয় স্মারকলিপিতে।

Advertisement

কারিগরি দফতরের মন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসু বলেন, ‘‘রাজ্যের কারিগরি শিক্ষাকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পূর্বের বামফ্রন্ট সরকারের ভুল নীতির ফলে আইটিআই ও পলিটেকনিকগুলি এখন ধুকছে। সেগুলিকে আধুনিক করে গড়ে তোলা হবে। ডিজিটাল ক্লাস রুম, ল্যাবগুলির আধুনিকীকরণ করা হবে। পূর্বের সরকারের আমলে শিক্ষকদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ছাড়াই বৃত্তিমূলক শিক্ষকদের সংখ্যা ১থেকে ১২ জন করে দেওয়া হয়েছিল। অযোগ্য ব্যক্তিদের শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ করায় শিক্ষার মান তলানিতে গিয়ে ঠেকেছিল। আমরা কিছুটা হাল ফেরাতে পেরেছি। আরও অনেক কাজ বাকি।’’

তিনি আরও বলেন, ‘‘রাজ্যে প্রায় ৬০ হাজার বৃত্তিমূলক শিক্ষক রয়েছেন। পলিটেকনিক কলেজের শিক্ষকদের বদলির বিষয়টি শিক্ষকদের উপর ছেড়ে দেবে না সরকার। বদলির বিষয়টি সরকার নিজের হাতেই রাখবে। একজন কর্মচারী দীর্ঘদিন ধরে এক জায়গায় রয়েছে কিনা তা দেখেই বদলি করেছে সরকার।’’ এদিনের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন রায়গঞ্জ পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান তথা আইএনটিটিইউসির জেলা সভাপতি অরিন্দম সরকার।

তিনি বলেন, ‘‘ভোকেশনাল শিক্ষকেরা দীর্ঘদিন সমস্যার মধ্যে রয়েছেন। বর্তমান সরকার এই শিক্ষকদের নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে। আশা করি শীঘ্রই সমাধান হবে তাঁদের।’’ এছাড়াও বক্তব্য রাখেন কাউন্সিলার অর্ণব মণ্ডল, সংগঠন জেলা নেতৃত্ব বুদ্ধদেব কুণ্ডু, রাজ্য সভাপতি অর্পণ মজুমদার সহ অন্যান্যরা।

----
--