মহানন্দা সেতুর ফাটল ভাবাচ্ছে নিত্যযাত্রীদের

মালদহ: পোস্তা, মাঝেরহাটের ঘটনা আরও একবার মনে করিয়ে দিল প্রত্যেকটি সেতুর রুটিন চেক আপ কতটা গুরুত্বপূর্ণ৷ শুধু মহানগর বা শহরতলীতেই নয়, বিভিন্ন জেলাতেও এমন বহু গুরুত্বপূর্ণ সেতু রয়েছে যার উপর দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার গাড়ি যাতায়াত করে৷ সেইসব সেতুর ‘শরীরের’ অবস্থাও মোটেই খুব একটা সুবিধার নয়৷ যেকোনও মুহূর্তে ঘটে যেতে পারে বড়সড় কোনও দুর্ঘটনা৷

এরকমই একটি সেতু ১৯৬৭ সালে তৈরি হয়েছিল মহানন্দা নদীর উপর৷ নাম মহানন্দা সেতু৷ ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর তৈরি এই সেতুটি উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের যোগাযোগের একমাত্র ভরসা৷ বোঝাই যাচ্ছে সেতুটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ৷ প্রতিটি কতটা বোঝা বইতে হয় তাকে৷

আরও পড়ুন: জিও ২ তৃতীয় ফ্ল্যাশ সেলেও বুকিংয়ের হুড়োহুড়ি

- Advertisement -

অর্ধশতাব্দী পার করেছে মহানন্দা সেতু৷ কংক্রিকের পাঁজরের জোর কমেছে৷ দেখা দিয়েছে ফাটল৷ ইতিমধ্যেই ক্ষয় হয়েছে পিলারের মাটিরও৷ অভিযোগ, এমন ঝুঁকিপূর্ণ সেতুর হাল৷ কিন্তু জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের তা নিয়ে কোনও হেলদোল নেই৷

সেতুটির মাঝে রাস্তা বরাবর ফাটল৷ ফাটল সেতুটির মুখেও। রেলিং এর একাংশ বসেও গিয়েছে। প্রতিদিন এই সেতুর উপর দিয়ে কয়েকহাজার পণ্যবাহী যান চলাচল করে। চলাচল করে যাত্রীবাহী কয়েকশো বাস। আমজনতার কথায়, বিপদ নিয়ে এই সেতু দিয়ে পারাপার করতে হয় তাঁদের৷ কোনও রকম সংস্কার হয়নি৷ জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষও উদাসীন৷

আরও পড়ুন: সমকাম এখন অধিকার, এক নজরে কি এই ৩৭৭ ধারা

এ বিষয়ে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ অবশ্য সেতু নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে নারাজ। অন্যদিকে ইংরেজবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক নিহাররঞ্জন ঘোষ জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের এই আচরণে বেজায় ক্ষুব্ধ৷ বললেন, ‘‘জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে মহানন্দা সেতু সংস্কারের দাবি জানিয়ে ইতিমধ্যেই চিঠি দেওয়া হয়েছে। ১৫ দিনের মধ্যে কোনও ব্যবস্থা না নিলে পথে নামব৷’’ বিধায়ক বলেন, সাধারণ চোখে দেখলেই বোঝা যায় সেতুটির অবস্থা সঙ্কটজনক। যেকোনও সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে৷ যতটা দ্রুত সম্ভব এই সেতুর মেরামত করা দরকার৷

আরও পড়ুন: ঐতিহাসিক রায় শুনেই আনন্দ-কান্নায় ভেঙে পড়লেন ওরা

Advertisement ---
---
-----