মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে ইসলামাবাদের সমন

ড্রোন হামলায় তালিবান নেতা হাকিমোল্লা মেহসুদের মৃত্যু ঘিরে পাক-মার্কিন সম্পর্কে নতুন করে তিক্ততা দেখা দিয়েছে। আফগানিস্তান থেকে একতরফা ড্রোন আক্রমণের প্রতিবাদে ইসলামাবাদে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠাল নওয়াজ শরিফ সরকার। রবিবারই তাঁকে বিদেশ মন্ত্রকের দফতরে দেখা করতে বলা হয়েছে। দেশের উপজাতি অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় তালিবানদের আলোচনার টেবিলে বসানোর জন্য মরিয়া প্রয়াস চালাচ্ছে পাক প্রশাসন। তালিবানদের তরফ থেকেও এই বিষয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছিল। এমন সময়ে মার্কিন ড্রোন হানায় শীর্ষ তালিবান নেতার মৃত্যু শান্তি আলোচনা শুরুর সম্ভাবনাকে ভেস্তে দিল বলে শনিবার পাক বিদেশ মন্ত্রক এক বিবৃতিতে অভিযোগ করেছে। যদিও পাকিস্তানের এই অভিযোগকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ বারাক ওবামা প্রশাসন। শনিবার মার্কিন বিদেশ দফতর ওয়াশিংটনে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সন্ত্রাসবাদ বিরোধী বিশ্বব্যাপী লড়াইয়ে আমেরিকার অন্যতম সহযোগী পাকিস্তান। এই কাজে মার্কিন সরকারকে ইসলামাবাদ সব ধরনের সহায়তা করতে দায়বদ্ধ। ফলে পাক ভুখন্ডে ঘাঁটি গেড়ে টাকা জঙ্গিদের ওপর ড্রোন হামলা চালিয়ে কোনও ভুল করেনি বলে মার্কিন প্রশাসনের দাবি। যদিও তালিবানদের সঙ্গে শরিফ সরকারের আলোচনার উদ্যোগকে ‘পাকিস্তানের ঘরোয়া ব্যাপার’ মন্তব্য করেছে হোয়াইট হাউস।

Advertisement
---
-----