ভারতীয় সেনাবাহিনীর দুর্জয় দশ শক্তিশেল

বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম সেনাবাহিনী (indian army) ভারতের। ভারতের ভাঁড়ারে রয়েছে এমন আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র যার জন্য বাকি পৃথিবীর সমীহ আদায় করে নিতে পারে তারা। যার সামনে দাঁড়াতে পারবে না সব চাইতে প্রবল প্রতিপক্ষ, এমন অস্ত্রও নিজেদের দখলে রেখেছে ভারত। এ বছর ভারতের প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ হয়েছে ৪ হাজার ৬০০ কোটি ডলার, অর্থাৎ প্রায় ২ লক্ষ ৯০ হাজার কোটি টাকা।

সম্প্রতি এমন কয়েকটি অস্ত্র বানাতে শুরু করেছে ভারত, যা নিয়ে তারা সমানে সমান টক্কর দিতে পারে আমেরিকা ও রাশিয়ার সঙ্গে। ভারত এখন পৃথিবীর বৃহত্তম অস্ত্র আমদানিকারক। শুধু সেনা সংখ্যায় নয়, ২০২০ সালের মধ্যে অস্ত্রশস্ত্র মজুতের বিচারেও বিশ্বের মধ্যে চতুর্থ স্থানে নিজেকে তুলে নিয়ে যেতে পারবে ভারত।

এবার দেখে নেওয়া যাক, ভারতের ভাণ্ডারে এমন কোন দশটি অস্ত্র রয়েছে, যা বাকি দুনিয়ার সমীহ আদায় করে:

- Advertisement -

১. PINAKA (MBRLS)

পিনাক মাল্টিপল ব্যারেল রকেট লঞ্চিং সিস্টেমটি তৈরি করেছে ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন বা DRDO। ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য এই অস্ত্র বিশেষ যত্ন নিয়ে তৈরি করা হয়েছে। যে কোনও প্রতিকূল পরিস্থিতি, যেমন বরফঢাকা উপত্যকায় চরম ঠাণ্ডার মধ্যেও নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম এই পিনাক। ১৯৯৯ সালে কারগিল যুদ্ধের সময় প্রথম পিনাকা ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল।

PINAKA-(MBRLS)
পিনাক লঞ্চিং সিস্টেম থেকে প্রতি ৪৪ সেকেন্ডে এক ডজন ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়া সম্ভব

পিনাক লঞ্চিং সিস্টেম থেকে প্রতি ৪৪ সেকেন্ডে এক ডজন ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়া সম্ভব। ব্যারেল খালি হয়ে গেলে মাত্র চার মিনিটে ‘রিলোড’ করা যায়। একটি সিঙ্গল লঞ্চিং সিস্টেমওয়ালা ৮x৮ টেট্রা ট্রাকে ১২টি ক্ষেপণাস্ত্র ‘লোড’ করা যায়। একেকটি মিসাইল ৪০-৬৫ কিমি দূরে লক্ষ্যবস্তুর উপর নিখুঁত আঘাত হানতে সক্ষম। শুধু স্থির নয়, চলমান লক্ষ্যবস্তুর উপরেও আঘাত হানতে পারে পিনাক। এই কাজের জন্য পিনাকে ব্যবহৃত হয় অত্যাধুনিক অ্যাডভান্সড ইনার্শিয়াল ন্যাভিগেশন সিস্টেম বা INS। কম্পিউটার, মোশন সেন্সর ও রোটেশন সেন্সরের সাহায্যে লক্ষ্যবস্তুর পজিশন, চলাচল, কোন দিক থেকে কোন দিকে তা যাচ্ছে, সমস্তটাই নিখুঁতভাবে হিসেব করা যায়। পিনাক বেশ কয়েকটি মোডে ‘রান’ করতে পারে। যেমন অটোনমাস বা স্বয়ংক্রিয় মোড, স্ট্যান্ড অ্যালোন মোড, রিমোট মোড, ম্যানুয়াল মোড ইত্যাদি। DRDO এখন এর রকেটে জিপিএস গাইডেন্স সিস্টেম লাগানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। পাশাপাশি এর পাল্লা বাড়াতেও চলছে গবেষণা। আগামী দিনে পিনাক যাতে ১২০ কিমি দূরের লক্ষ্যবস্তুতেও আঘাত হানতে পারে সেটাই চলতি গবেষণার লক্ষ্য।

সব থেকে বড় ব্যাপার, পিনাকের সমান শক্তিসম্পন্ন আমেরিকান ক্ষেপণাস্ত্র M 270-র দামের তুলনায় পিনাকা দশগুণ সস্তা।

২. T-90S Bhishma

T-90S-BhiSHMA-2
রাশিয়ান T-90s ট্যাঙ্ক যার ভারতীয় নাম ভীষ্ম

রাশিয়ান T-90s ট্যাঙ্কের ভারতীয় নাম ভীষ্ম। T-80U ও T-72B, এই দুই সুপিরিয়র ফায়ার কন্ট্রোল সিস্টেমের যৌথ উদ্যোগে তৈরি এই ট্যাঙ্ক। শত্রুদের হাত থেকে এই ট্যাঙ্কগুলি অন্তত তিন দশক ধরে আমাদের দেশকে নিরাপদে রেখেছে। এই ট্যাঙ্কে রয়েছে সবথেকে আধুনিক জ্যামিং সিস্টেম। রয়েছে লেজার ওয়ার্নিং রিসিভার, দিনে ও রাতে স্পষ্ট দেখার যন্ত্র। সব থেকে বড় কথা, এই ট্যাঙ্কে ফিট করা রয়েছে 125mm ও 2A46M স্মুথবোর গান। আর রয়েছে একটি ১২.৭ এম এম মেশিনগান। একটি ভীষ্ম ট্যাঙ্ক চালান তিনজন ক্রু মেম্বার। ৪৮ হাজার কিলোগ্রামের এই ট্যাঙ্ক প্রয়োজনে পাঁচ মিটার জলস্তরও অতিক্রম করে চলতে পারে। ১৬০০ লিটার ডিজেল এর জ্বালানি। এর শরীর মোড়া রয়েছে এমন মোটা বর্মে, যা ভেদ করে ট্যাঙ্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করা কার্যত অসম্ভব। রাশিয়ার কাছ থেকে এমন সাতশটি ট্যাঙ্ক কেনা হয়েছিল। আরও ৩৪৭টি ট্যাঙ্ক ভারতেই তৈরি করা হচ্ছে। দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শেষ হলেই তামাম দক্ষিণ এশিয়ায় একমাত্র ভারতের হাতেই থাকবে সব থেকে আধুনিক ও উন্নতমানের ট্যাঙ্কবাহিনী৷

৩. INS VIKRAMADITYA

আইএনএস বিক্রমাদিত্য দেশের প্রতিরক্ষায় আমদানি করা সাম্প্রতিকতম বিমানবাহী রণতরী। গত বছরের ১৬ নভেম্বর তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী একে অ্যান্টনির নেতৃত্বে ভারতীয় নৌবাহিনীর হাতে এই জাহাজ আসে। বিক্রমাদিত্য বাস্তবিক একটি ভাসমান ‘এয়ারফিল্ড’। অর্থাৎ এই জাহাজের বুক থেকে উড়ে যেতে পারে একের পর এক লড়াকু যুদ্ধবিমান। লম্বায় ২৮৪ মিটার এই জাহাজের এক-একটি পিলার প্রায় ৬০ মিটার চওড়া।

দেশের সব থেকে বড় ও দামী যুদ্ধজাহাজ বিক্রমাদিত্য ইন্ডিয়ান নেভির প্রধান সম্পদ। ৪৫ হাজার কিলোগ্রামের এই সামুদ্রিক টাইটান ২৪টি করে মিগ-২৯ ফাইটার বহন করতে পারে। সঙ্গে ছ’টি করে ASW/AEW helicopters। রাশিয়ার কাছ থেকে ২৩৫ কোটি ডলার বা প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা কেনা এই যুদ্ধজাহাজটি ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাত ধরে ভারতীয় নৌবাহিনীর হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জলে নামে। অন্তত ৪০ বছর কোনও বিপত্তি ছাড়াই কাজ চালাতে সক্ষম এই জাহাজ।

আইএনএস বিক্রমাদিত্য
আইএনএস বিক্রমাদিত্য

আইএনএস বিক্রমাদিত্যকে একটি ভাসমান শহর বললেও অত্যুক্তি হবে না। কারণ এই জাহাজের বহনক্ষমতা তাক লাগানোর মতো। সেনা ও কর্মী মিলিয়ে প্রায় ১৬০০ জনের জন্য মোট এক লক্ষ ডিম, ২০ হাজার লিটার দুধ ও ১৬ টন চাল প্রতি মাসে খরচ হয়। একবার এই জাহাজে মাল মজুত করলে তা নিয়ে সমুদ্রে প্রায় ৪৫ দিন ভেসে থাকতে পারে বিক্রমাদিত্য।

৪. NAG MISSILE AND NAMICA

NAG-MISSILE-AND-NAMICA-2
‘নাগ’ একটি ‘ফায়ার অ্যান্ড ফরগেট’ অ্যান্টি-মিসাইল ট্যাঙ্ক

৩ বিলিয়ন টাকায় তৈরি ‘নাগ’ একটি ‘ফায়ার অ্যান্ড ফরগেট’ অ্যান্টি-মিসাইল ট্যাঙ্ক। ভারতেই তৈরি হয়েছে নাগ। তৈরি করেছে DRDO। এটিই পৃথিবীর একমাত্র অ্যান্টি ট্যাঙ্ক মিসাইল যার শরীর সম্পূণ ফাইবার গ্লাসে মোড়া। নাগের ওজন ৪২ কিলোগ্রাম। ২৩০ মিটার প্রতি সেকেন্ডের গতিতে ৪-৫ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে নাগ। নিখুঁত নিশানায় আঘাত আনতে এতে ব্যবহৃত হয়েছে ইনফ্রা-রেড সিস্টেম। ‘নমিকা’ হল নাগের ক্যারিয়ার। ১২টি মিসাইল বহনে সক্ষম এই ক্যারিয়ার সব সময় আটটি মিসাইল ছুঁড়তে প্রস্তুত থাকে।

৫. PHALCON AWACS

PHALCON-AWACS
ভারতের বিমানবাহিনীর হাতে রয়েছে বিশ্বের সব থেকে আধুনিক অ্যাওয়াকস সিস্টেম

AWACS-এর পুরো কথা এয়ারবোর্ন আরলি ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম। দূরপাল্লার শত্রুবিমান, জাহাজ বা যান চিহ্নিত করতে দেশের বিশ্বস্ত সৈনিক হল ফ্যালকন অ্যাওয়াকস। ভারতের বিমানবাহিনীর হাতে রয়েছে বিশ্বের সব থেকে আধুনিক অ্যাওয়াকস সিস্টেম। যার মধ্যে তিনটি রয়েছে অ্যাকটিভ মোডে। A-50 ফ্যালকন অ্যাওয়াকসে রয়েছে ইজরায়েলি এলটা EL/W-2090 রেডার, যা বসানো হয়েছে একটি রাশিয়ান Il-76 বিমানের উপর। এর ৩৬০ ডিগ্রি অ্যাকটিভ ইলেকট্রনিক্যালি স্ক্যানিং অ্যারে রেডার শত্রুদের উপর অতন্দ্র নজর রাখতে পারে। যুদ্ধের সময় নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র হিসাবে কাজ করার জন্যই এই অ্যাওয়াকস তৈরি হয়েছে৷ মাটি থেকে নিয়ন্ত্রণ করার বদলে আকাশপথেই এই ফ্যালকন অ্যাওয়াকস যুদ্ধবিমানগুলিকে নিশানা চিনিয়ে দেবে, শত্রুপক্ষের বিমান সম্পর্কে হুঁশিয়ার করবে, তাছাড়া রণক্ষেত্রে স্থলবাহিনীর সহায়তাকারী ট্যাকটিক্যাল বিমানবাহিনীকে গাইড করবে৷ অন্তত ৪০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুও চিনিয়ে দেবে এই ফ্যালকন অ্যাওয়াকস৷ PHALCON-AWACS-2

এতে রয়েছে এরিয়াল রি-ফুয়েলিং সিস্টেম ও ইলেকট্রনিক ওয়রফেয়ার ইকুইপমেন্ট। E-3 সেন্ট্রির তুলনায় দশগুণ ভালো কাজ করতে পারে এই অ্যাওয়াকস।

৬. PAD/ AAD BALLISTIC MISSILE DEFENSE (BMD) SYSTEM

PAD
বিএমডি ডিফেন্স সিস্টেম

পাকিস্তান ও চিনের দিক থেকে ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলা রুখতে ভারত প্রস্তুত করেছে বিএমডি ডিফেন্স সিস্টেম। স্বল্প, মাঝারি এবং দূরপাল্লার দূরত্বে নিখুঁত হামলা চালাতে পারে ব্যালিস্টিক মিসাইল। বিএমডি সিস্টেম যে কোনও ব্যালিস্টিক মিসাইলকে নিষ্ক্রিয় করে ফেলতে পারে নিমেষে। পাঁচ হাজার কিলোমিটার দূর থেকেই ক্ষেপণাস্ত্র অচল করে দিতে পারে এই বিএমডি। বিএমডি সিস্টেমে দুটি ইন্টারসেপ্টর মিসাইল আছে৷ একটির নাম পৃথ্বী এয়ার ডিফেন্স (PAD)। এটি আকাশে অনেক উচ্চতায় পৌঁছে শত্রুপক্ষের মিসাইল নিষ্ক্রিয় করে দেয়। অপরটির নাম অ্যাডভান্সড এয়ার ডিফেন্স (AAD), যেটি স্বল্প উচ্চতায় হামলাকারী মিসাইল নিষ্ক্রিয় করে। তিনশো থেকে দু হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র নিকেশ করতে পারে ‘প্যাড’। বিশ্বের মধ্যে ভারত হল চতুর্থ দেশ যার হাতে এহেন শক্তিশালী BALLISTIC MISSILE DEFENSE SYSTEM রয়েছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, বিএমডি সিস্টেমের সাহায্যে ৯৯.৮ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্রই সাফল্যের সঙ্গে নিস্ক্রিয় করা গিয়েছে।

৭. INS CHAKRA (Nuclear-Powered Submarine)

INS-CHAKRA
পরমাণু ডুবোজাহাজ আইএনএস চক্র

পরমাণু ডুবোজাহাজ আইএনএস চক্র আনুষ্ঠানিকভাবে নৌবাহিনীকে অর্পণ করেন বিগত ইউপিএ জমানার প্রতিরক্ষামন্ত্রী এ কে অ্যান্টনি। জাহাজটির আসল নাম নেরপা। আইএনএস চক্র ভারতীয় নৌবাহিনীর অন্তর্ভুক্ত হওয়ার ফলে দেশের উপকূল সুরক্ষা আঁটোসাটো হয়েছে। বিপুল টাকা খরচ করে রাশিয়া থেকে আমদানি করা পরমাণু ডুবোজাহাজ আইএনএস চক্র প্রায় নিঃশব্দে শত্রুপক্ষের উপর আঘাত হানতে পারে। এতে ৫৩৩ এবং ৬৫০ এমএম ক্ষমতাসম্পন্ন চারটি করে টরপেডো আছে। জলের তলায় ৬০০ মিটার গভীরে ৭৩ জন নৌকর্মী সমেত আইএনএস চক্র ১০০ দিন কাটাতে পারে।

৮. INS Visakhapatnam

INS-Visakhapatnam
অত্যাধুনিক ডেস্ট্রয়ার ‘আইএনএস বিশাখাপত্তনম’

অত্যাধুনিক ডেস্ট্রয়ার ‘আইএনএস বিশাখাপত্তনম’ মূলত ভারতের সমুদ্রবলয়ে চিনা বিমান ও রণপোতের আনাগোনা রুখতে ও টহলদারির কাজে ব্যবহৃত হয়। ‘আইএনএস বিশাখাপত্তনম’ ভারতীয় নৌবাহিনীকে আরও শক্তিশালী করে তুলেছে। এটি তৈরিতে খরচ হয়েছে ২৯ হাজার ৬০০ কোটি টাকা৷ এতে রয়েছে টোট্যাল অ্যাটমসফিয়ার কনট্রোল সিস্টেম’ বা (ট্যাক)। এই পর্যায়ের রণতরীর জুড়ি মেলা ভার৷ যে কোনও যুদ্ধ পরিস্থিতি, তা সে পরমাণু আক্রমণ হোক জৈব-রাসায়নিক হামলা, তার মোকাবিলা করতে এই রণপোত সক্ষম৷ আইএনএস বিশাখাপত্তনমে রয়েছে দূরপাল্লার ৩২টি বারাক-৮ মিসাইল৷ ভূমি থেকে আকাশে আঘাত হানতে সমর্থ এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলি ইজরায়েলের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে বানানো হয়েছে৷ তবে আইএনএস বিশাখাপত্তনম নির্মাণ প্রযুক্তির ৬৫ শতাংশই আগাগোড়া ভারতীয়৷

৯. Sukhoi SU-30MK

Sukhoi--SU-30MKI-2
সুখোই SU-30MK

ভারতীয় বায়ুসেনার শিরদাঁড়া বলা চলে সুখোইকে। একটি সুখোই বিমান দুটি মিগ-২৯ বা দুটি জাগুয়ারের সমান কাজ করে। এক-একটির দাম ৩৫৮ কোটি টাকা। Hindustan Aeronautics Limited বা হ্যালের তৈরি এই ফাইটার জেটে আট টন অস্ত্র বহন করা যায়। শীঘ্রই এই যুদ্ধবিমান ‘ব্রহ্মস’ ও ‘নির্ভয়া’ ক্ষেপণাস্ত্র বহনের উপযোগী করে তোলা হবে। এই মুহূর্তে ৩১৪টি সুখোই SU-30MK তৈরির পথে। Sukhoi--SU-30MKI

১০. BRAHMOS MISSILE BRAHMOS-MISSILE-2

বিশ্বের দ্রুততম ক্রুজ মিসাইল। ব্রহ্মস মিসাইলের গতিবেগ ম্যাক ২.৮-৩। ২০১৭ সালের মধ্যে এর সঙ্গে যুক্ত হবে এয়ার-লঞ্চড ভেরিয়্যান্ট (air-launched variant)। সমগোত্রীয় ক্ষেপণাস্ত্রগুলির তুলনায় ব্রহ্মস মিসাইলের গতিবেগ তিনগুণ বেশি। শত্রুপক্ষের অবস্থান ধ্বংসের ক্ষমতাও প্রায় তিনগুণ। আপাতত বছরে ১০০টি করে এই ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি হচ্ছে এদেশে। লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার নৈপুণ্য এই মিসাইলের ১০০ শতাংশ নিখুঁত।

BRAHMOS-MISSILE
সুখোই SU-30MK
Advertisement
---