বাড়ি থেকে পালিয়েও রক্ষা পেল না ১১ বছরের বালক

নয়ডা: ঠিক যেন ঋত্বিক ঘটকের “বাড়ি থেকে পালিয়ে”এর চিত্রনাট্য। সিনেমার কাঞ্চন আর বাস্তবের বছর ১১ র ছেলেটার মধ্যে তফাত আছে যদিও খানিকটা। বাবা-মা’য়ের উপর ঝুড়ি ঝুড়ি অভিযোগ। বাবা মুদির দোকান চালান। মাঝে মধ্যে আবার ছেলেকেও সেই দোকানে বসতে বাধ্য করেন।

কিন্তু এই রাগ আর অভিমান জমতে জমতে ক্লাস সিক্সের ছেলেটা যে হঠাৎ এমন হুলুস্থুলু কান্ড ঘটাতে পারে তা আর কে জানতো? নয়ডার ছিজার্সি অঞ্চলের দোকানে সেদিন সকালেও বসতে হয়েছিল। চুরির মতো এক বড় অপরাধও করে।

আরও পড়ুন: সিপিএমের সরকার বলছে ‘শবরীমালা সবার’, বিজেপির মিছিলে মন্দিরে ‘মহিলা হঠাও’

সেই নিয়ে কাকুর কাছে বকুনিও খায়। তারপর অবশ্য বাড়ি থেকে স্কুলের পথে রওনা দেয়। আর সেখানেই এই চিত্র নাট্যের শুরু। স্কুলে যাওয়ার কথা বললেও এক অচেনা ব্যক্তির মোটরবাইকে চেপে সোজা গ্রেটার নয়ডার বিসরাখে পৌঁছে যায়।

সেখানে কিছুক্ষন ঘোরাফেরা’র পর হয়তো বাড়ির কথা মনে পড়েছিল ছেলেটার। সেখানকার এক শ্রমিকের ফোন থেকে বাবাকে ফোন করে বলে “পাঁচ মিনিটে এসো”। তারপরই ফোন সুইচ অফ হয়ে যায়। আর সেখানেই ঘটে বিপত্তি।

আরও পড়ুন: বেলুড় মঠে যথাযোগ্য মর্যাদায় কুমারী পুজো

বাড়ির লোকের সন্দেহ হয় ছেলেটিকে কেউ অপহরণ করেছে এবং ৫ লক্ষ টাকা দাবী করেছে। এতটা হয়ত শোনেননি তবে ভয়ের চোটে ভেবে ফেলেছিলেন। সন্দেহ আরও বাড়তে থাকে যখন দেখেন বার বার সেই নম্বরে ফোন করলেও সেটা সুইচ অফ আসে। আর কালবিলম্ব না করে থানায় খবর দেন ছেলেটির বাবা। বিসরাখের স্থানীয় পুলিশ ওই শ্রমিকের নম্বর থেকে লোকেশনে পৌঁছে যায়। সেখানেই দেখা যায় ছেলেটাও ঘোরা ফেরা করছে।

আরও পড়ুন: অষ্টমীতে ব্যস্ত তারকা বোনেরা

পুলিশের তরফে অখিলেশ ত্রিপাঠী জানিয়েছেন, প্রথমে এটি অপহরণের মামলা মনে হলেও পরে দেখা যায় ছেলেটি নিজেই তার বাড়িতে ফোন করে। ঘটনায় কারোর বিরুদ্ধেই আর কোনো মামলা রুজু করা হয়নি। ছেলেটির বাবা পরে জানান, এটি একটি ভুল বোঝাবুঝির ঘটনা। বাড়ি থেকে পালানো কি আর অত সহজ? রিল আর রিয়েলে তফাৎ তো থাকবেই।

আরও পড়ুন: ৯৫-এ পা দিল মল্লিক বাড়ির পুজোর, জানেন কি থাকছে এবছর স্পেশ্যাল

----
-----