কোয়েম্বাটোর বিস্ফোরণ: ২০ বছর পর গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত

কোয়েম্বাটোর:১৯৯৮ সালের ভয়াবহ কোয়েম্বাটোর বিস্ফোরণ৷ পর পর বিস্ফোরণ কেড়ে নিয়েছিল ৫৮ জনের প্রাণ৷ ঘটনার ২০ বছর পর পুলিশ জালে বিস্ফোরণের মূল চক্রী৷ এন পি নোহু ওরফে মাঙ্কাভুকে মঙ্গলবারই গ্রেফতার করল তামিলনাড়ু পুলিশের এসআইডি বা স্পেশাল ইনভেশটিগেসন ডিভিশন৷ ২০ বছর ধরে গা ঢাকা দিয়েছিল সে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কেরলের কোঝিকোর থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ৷

১৯৯৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে পর পর বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে কোয়েম্বাটোর৷ সেই সময়ে কোয়েম্বাটোর সফরে ছিলেন লালকৃষ্ণ আদবানি৷ তৎকালীন বিজেপির সভাপতি ছিলেন তিনি৷ তদন্ত অনুসারে, আদবানির সফরের বিরুদ্ধেই ছিল এই বিস্ফোরণ৷ যে জায়গাগুলিতে আদবানির জনসভা ছিল সেখানেই বিস্ফোরণ ঘটে৷ মোট ১১ টি জাগায় ১২ টি বিস্ফোরণ হয়৷ মোটর বাইক, সাইকেল, গাড়ি, বাক্সে প্রায় ৭০ কেজি ওজনের বিস্ফোরক রাখা ছিল৷ রিমোর্টের মাধ্যমে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়৷

পড়ুন:সুখবর! দাবি মেনে কর্মীদের টাকা বাড়ানোর ঘোষণা মোদীর

- Advertisement -

বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা ৫৮, আহত হয়েছিলেন ২০০-রও বেশি মানুষ৷ বিস্ফোরণের ১ মাসের মধ্যেই তদন্তে সাফল্য পায় তামিলনাড়ু পুলিশ৷ বিস্ফোরণের নেপথ্যে চেন্নাইয়ের মুসলিম সংগঠন আল উম্মাহ এন্ড জিহাদ কমিটির নাম উঠে আসে৷ সঙ্গে সঙ্গে এই সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ করে দেয় তামিলনাড়ুব প্রশাসন৷ বিস্ফোরণের অভিযোগে সংগঠনেরই ১২ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়৷ তখন থেকেই ফেরার ছিল মূল চক্রী মাঙ্কাঙু৷ ঘটনার পর থেকে ভারতের বাইরেই গা ঢাকা দিয়েছিল সে৷ গোপনে মাঙ্কাভুর খোঁজেই ছিল তামিলনাড়ু পুলিশ৷ ২০ বছর পর তাই ভারতে পা রাখতেই তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ৷

২০০২ সাল থেকে এই মামলায় মোট ১৬৮ জনের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া চলেছে৷ ২০০৯ সালের মধ্যে উম্মাহ গোষ্ঠী কয়েকজনের এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়৷ ৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডও হয়৷ ভালো ব্যবহারের জন্য মেয়াদের আগেই ৭ জন জেল থেকে ছাড়া পায়৷ বাকি ছিল একমাত্র এন পি নোহু৷ মহ্গলবারই শুরু হয়েছে তার বিচারপ্রক্রিয়া৷

Advertisement
---