বন্ধ কৈলাশ মানসরোবর যাত্রা, আটকে ২০০ যাত্রী

কাঠমান্ডু: স্থগিত কৈলাশ মানসরোবর যাত্রা৷ প্রতিকূল আবহাওয়ায় যাত্রা স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে৷ প্রায় ২০০ জন তীর্থযাত্রী আটকে পড়েছেন নেপালের সিমিকোট ও হিলসাতে৷ আটকে পড়া তীর্থযাত্রীদের উদ্ধার করতে শুরু হয়েছে উদ্ধার কাজ৷

রবিবার ভারতীয় দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ১২৪ জন তীর্থযাত্রী আটকে আছেন নেপালের সিমিকোটে এবং ৫০ জন আটকে রয়েছেন হিলসায়৷ তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে৷ সব রকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছে ভারতীয় দূতাবাস৷ উদ্বিগ্ন পরিবারদের জানানো হয়েছে সিমিকোটের তীর্থযাত্রী আবাসে কমপক্ষে ৫০০ জনের থাকার ব্যবস্থা আছে। এছাড়া প্রাথমিক চিকিৎসারও ব্যবস্থা আছে। ফলে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই।

জুলাই মাসেও এভাবে নেপালে আটকে পড়েছিলেন তীর্থযাত্রীরা৷ ভারি বৃষ্টির ফলে ধসের আশঙ্কা থাকায় যাত্রা বন্ধ করে দেয় স্থানীয় প্রশাসন৷ ভারতীয় দূতাবাসের পক্ষ থেকে সংবাদসংস্থা এএনআইকে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সিমিকোট, হিলসার পাশাপাশি, নেপালগঞ্জেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে৷ দূতাবাস গোটা পরিস্থিতির ওপরে কড়া নজর রাখছে বলে খবর৷ জানানো হয়েছে দু’‌একদিনের মধ্যে আবহাওয়া ঠিক হয়ে গেলেই বিমান পরিষেবা সচল হয়ে যাবে।

- Advertisement -

গত মাস থেকে নেপালে এই যাত্রা উপলক্ষ্যে যে জরুরি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে তা এখনও দিনে ২৪ ঘণ্টাই কাজ করছে। সেখান থেকে আটকে পড়া তীর্থযাত্রীদের সম্পর্কে খবরাখবর নিচ্ছেন উদ্বিগ্ন পরিজনরা৷ কন্ট্রোল রুমে রয়েছে ৮ কর্মী, যারা সব ধরনের খবর পৌঁছে দিচ্ছেন পরিবারগুলির কাছে৷

এদিকে জুলাই মাসের প্রথম দিকে, প্রবল বৃষ্টি ও খারাপ আবহাওয়ার জেরে বন্ধ করে দেওয়া হয় কৈলাশ মানসরোবর যাত্রা। নেপাল ও তিব্বতে আটকে পড়েন প্রায় ১৫০০ তীর্থযাত্রী। কাঠমাণ্ডুর ভারতীয় দূতাবাসের তরফে নেপালগঞ্জ, সিমিকোট, হিলসা রুটের পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হয়। বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ জানান, সিমিকোটে ৫২৫ জন ভারতীয় যাত্রী, হিলসায় ৫৫০ জন ভারতীয় যাত্রী এবং তিব্বতে আরও ৫৫০জন ভারতীয় যাত্রী আটকে পড়েছেন। নেপাল সেনার একটি হেলিকপ্টার স্ট্যান্ড বাইয়ে রয়েছে । আবহাওয়া ঠিক হলেই উদ্ধার কাজে নামবে তারা৷

Advertisement ---
---
-----