চুল্লিতে জীবন্ত পুড়ল তরুণীর দেহ

এলাহাবাদ: চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেছিলেন ২৪ বছরের রচনা সিসোডিয়াকে। কিন্তু চুল্লিতে পোড়ানোর সময় হঠাৎই বেঁচে উঠলেন রচনা। প্রথমটা অলৌকিক মনে হলেও, শ্মশানে উপস্থিত সবার বুঝতে অসুবিধা হল না যে চিকিৎসকদের ভুল ঘোষণাতেই রচনা মড়ার চুল্লিতে। কিন্তু শেষপর্যন্ত বাঁচানো যায়নি রচনাকে কারণ তাকে উদ্ধার করার আগেই দেহের ৭০% অগ্নিদগ্ধ হয়ে যায়। তখন রচনা “মরিয়া প্রমাণ করিল যে সে মরে নাই”।

২৪ বছরের এই তরুণী ফুসফুসের অসুখে আক্রান্ত হয়ে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি উত্তর প্রদেশের সারদা হাসপাতালে ভর্তি হন। দু’দিন পরই হাসপাতালের চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এরপর আলিগড় শ্মশানে রচনার স্বামী তার দেহ নিয়ে যান। চুল্লিতে ওঠানোর পর রচনার ভাই এরই প্রথম মনে হয় যে রচনা মৃত নন। সঙ্গে সঙ্গে তিনি রচনাকে চুল্লি থেকে নামানোর জন্য পুলিশকে জানায়। পুলিশ চুল্লি থেকে রচনার দেহকে নামানোর আগেই তাঁর দেহের ৭০% পুড়ে যায়। এরপর রচনার দেহকে ময়নাতদন্ত করতে পাঠানো হয়। রিপোর্ট অনুযায়ী, জীবিত অবস্থায় আগুনে পুড়ে যাওয়ার আতঙ্কেই মারা যান রচনা।

রচনার ফুসফুস এবং ও শ্বাসনালীতে ছাই পাওয়ার পরই পুলিশ আরও নিশ্চিত হয়ে যায় যে রচনাকে জীবিত অবস্থাতেই চুল্লিতে ওঠানো হয়। মৃতদেহের মধ্যে দগ্ধকণা বা ছাই পাওয়া যায় না। জীবিত কোনও মানুষ পুড়ে গেলে দগ্ধকণাগুলি শ্বাসনালীর নিচ দিয়ে যায়, যেটি একটি মৃতদেহে হয় না। পুলিশ রচনার স্বামী ও আত্মীয়দের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে।

- Advertisement -

 

Advertisement
---