ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: অসমের নাগরিক পঞ্জির তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে ২৫ লক্ষ হিন্দুর নাম। এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

গত ৩০ জুলাই অসমের নাগরিক পঞ্জির দ্বিতীয় খসড়া তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। যেখানে বাদ গিয়েছে ৪০ লক্ষেরও বেশি আবেদনকারীর নাম। যা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে সমগ্র দেশ জুড়ে। নাগরিক পঞ্জির নামে রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার অভিযোগ উঠেছে পদ্ম পরিচালিত অসম রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে।

ফাইল ছবি

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নবান্নে নাগরিক পঞ্জির তালিকা প্রসঙ্গে সাংবাদিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন, “যে ৪০ লক্ষ মানুষের নাম নাগরিক পঞ্জির তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে তার মধ্যে ৩৮ লক্ষ বাঙালি।” এরপরেই তিনি আবার বলেন, “এই ৩৮ লক্ষের মধ্যে ২৫ লক্ষ হিন্দু বাঙালি। বাকি ১৩ লক্ষ মুসলিম।” ৩৮ লক্ষ বাদ যাওয়া নাগরিক বাংলাভাষী বলে দাবি করেছেন মমতা।

আরও পড়ুন- ‘অমিত শাহের নিজের বাবার সার্টিফিকেট আছে তো?’

তালিকা থেকে বাদ যাওয়া একগুচ্ছ নাম সম্বলিত নথি পেশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তথ্য প্রমাণ সহ তিনি তুলে ধরেন ১৯৭১ সালের আগে ভোটার তালিকায় নাম থাকা ব্যক্তিদের নাম বাদ গিয়েছে নাগরিক পঞ্জির তালিকায়। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি অসমের শাসকদল এবং কেন্দ্রের শাসক বিজেপি রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতেই এই ধরনের নাগরিক পঞ্জির তালিকা তৈরি করেছে বলেও অভিযোগ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

গত ৩০ জুলাই অসমের নাগরিক পঞ্জির দ্বিতীয় খসড়া তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। যেখানে বাদ গিয়েছে ৪০ লক্ষেরও বেশি আবেদনকারীর নাম। যা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে সমগ্র দেশ জুড়ে। নাগরিক পঞ্জির নামে রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার অভিযোগ উঠেছে পদ্ম পরিচালিত অসম রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে।

আরও পড়ুন- গোষ্ঠী সংঘর্ষে জড়িত বিজেপি নেতাদের ‘রেহাই’ দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী

পালটা বিজেপি-র দাবি, অনুপ্রবেশকারীদের দেশে কোনও জায়গা দেওয়া হবে না। সকল অনুপ্রবেশকারীদের দেশ থেকে ফের পাঠানো হবে। যারা দীর্ঘদিন ধরে ভারতের বাসিন্দা তাদের উপরে নাগরিক পঞ্জি কোনও প্রতিকূলতা সৃষ্টি করবে না। চূড়ান্ত তালিকায় সমস্ত ত্রুটি ঠিক করে নেওয়া হবে বলেও দাবি করেছে বিজেপি নেতৃত্ব।

আরও পড়ুন- মোদীর খাসতালুকে অবহেলার অভিযোগ পাক-হিন্দু শরণার্থীদের

----
--