২৮ অগস্ট ছাত্রদের নিয়ে ভিড়ের নয়া রেকর্ডের অপেক্ষায়

নিবেদিতা দে, কলকাতা: রাত পোহালেই ২৮অগস্ট৷ ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস- পালন করবে তৃণমূল ছাত্র পরিষদও৷ এটি দলের একটা বড় উৎসব৷

আবার একটা বড় জমায়েত৷ ছাত্র নেতাদের চূড়ান্ত ব্যস্ততায় দিন কাটছে৷ ছাত্রদের সঙ্গে হাতে হাত লাগিয়ে নেমে পড়েছে যুবরাও৷ ২১ জুলাই শহিদ দিবসের জমায়েতের পর ছাত্র-যুবদের কাছে আবার একটা বড় চ্যালেঞ্জ৷

- Advertisement -

এবারের ২৮ অগস্ট ইতিহাস গড়বে বলেই দাবি করেছেন ছাত্র নেতারা৷ ২৪ আগস্ট বাঁকুড়ায় সভা করে শেষ হয়েছে এবারের মত আঠাশের প্রস্তুতি৷ বিভিন্ন জেলায় সভা করে ছাত্র নেতারা রির্পোট দিয়েছেন তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে৷ আর সেই রিপোর্টেই উঠে এসেছে রেকর্ড ভিড়ের প্রসঙ্গ৷

আরও পড়ুন- চাকরির টোপ দিয়ে সহবাসের অভিযোগে গ্রেফতার বিজেপির জয়ী প্রার্থী

ছাত্র নেতাদের যুক্তি অনুযায়ী, তৃণমূল কংগ্রেস সভানেত্রী জয়া দত্তকে সরানোর পর ২ মাস কেটে গিয়েছে অথচ কোনও সভাপতি নিয়োগ করেনি শীর্ষ নেতৃত্ব৷ সেই পদটি এখনও পর্যন্ত ফাঁকা রয়ে গিয়েছে৷ বরং তার বদলে শীর্ষ নেতৃত্ব (পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সুব্রত বক্সি এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কমিটি গড়ে) নিজের হাতেই রেখেছে দলের ছাত্র সংগঠনটিকে৷ জল্পনা রয়েছে আঠাশের মঞ্চে তৃণমূল সুপ্রিমো স্বয়ং টিএমসিপি-র সভাপতির নাম ঘোষণা করবেন৷

আরও পড়ুন- আট মাস আগে হয়েছিলেন যৌনহেনস্থার শিকার, আজ পড়ল চার্জশিট জমা

আর এই সভাপতির দৌড়ে নিজেকে এগিয়ে রাখার জন্যই নাকি এবার যে যার মতন করে লোক টানার চেষ্টা করছে৷ জেলার নেতারা নিজের নিজের লবির ছাত্রদের একজোট করে জমায়েতে আনার পরিকল্পনা করেছেন৷ কারণ টিএমসিপি-র সভাপতির পদ নিয়ে জল্পনার শেষ নেই৷

টিএমসিপি সভানেত্রী জয়া দত্তকে সরানোর পর থেকেই জেলারও বেশ কিছু নাম উঠে এসেছে সম্ভাব্য তালিকায়৷ মঞ্চ থেকে নেত্রী ঘোষণা করতে পারেন সেই দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নাম সেই আশাতেই এবারের ২৮ আগস্ট রেকর্ড ভিড়ের আশা করছেন ছাত্র নেতারা৷

শুধু তাই নয়, পঞ্চায়েতে পুরুলিয়ার যে সব এলাকা বিজেপির অনুকূলে গিয়েছিল সেখান থেকেও ছাত্ররা আসবেন বলে আশা করছেন ছাত্র নেতারা৷ প্রস্তুতি সভা করে এমনটাই মনে হয়েছে তাদের৷

ছাত্র নেতারা সেখানে বার্তা দিয়ে এসেছেন, ‘‘যদি রক্ত ঝরাতে হয় তবে সাম্প্রদায়িকতার নামে হিন্দু মুসলমানের রক্ত নয়, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে প্রতিষ্ঠা করতে নিজের বুকের রক্ত ঝরাও৷’’ ছাত্র নেতাদের আরও যুক্তি, ‘‘বিজেপি যেভাবে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সৃষ্টি করতে চাইছে বিভিন্ন জায়গায়, তৃণমূল কংগ্রেস ছাত্র পরিষদ সেই সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা রুখতে বদ্ধপরিকর৷’’

আরও পড়ুন- লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছে নাগরিক পঞ্জির প্রকৃত উদ্দেশ্য: কংগ্রেস নেতা

মাঝে কয়েক ঘণ্টার ফারাক৷ তারপরই গান্ধি মূর্তির মঞ্চে বক্তব্য রাখবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা৷ সকল ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বার্তা দেবেন৷ প্রিয় নেতা-নেত্রীর বার্তা শুনতে তাই রবিবার বিকেল থেকেই কলকাতায় পাড়ি দিয়েছেন ছাত্র নেতারা৷ জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসতে শুরু করেছেন তারা৷ উত্তর কলকাতার বিভিন্ন ধর্মশালা ও বিভিন্ন কমিউনিটি হলগুলিতে তাদের জন্য থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে৷ পাশাপাশি চলছে খিচুরি সহ বিভিন্ন পদ রান্না৷ যাতে আয়োজনে কোনও খামতি না থাকে বলে টিএমসিপি সূত্রে খবর৷

Advertisement ---
---
-----