দেরাদুন : উত্তরাখণ্ডে আচমকাই ধসে মৃত্যু হল কমপক্ষে ৩ জনের৷ আটকে পড়েছেন বেশ কয়েকজন৷ আটকে থাকা মানুষের সংখ্যা ৮ জন বলে মনে করছে প্রশাসন৷

বুধবার সকালে রাজ্যের বুডা কেদারের কাছে কোট গ্রামে ধস নামে৷ একাধিক বাড়ি ভেঙে পড়েছে বলে জানা গিয়েছে৷
প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে তিনটি দেহ উদ্ধার করা হয়েছে এখনও পর্যন্ত৷ এখনও তল্লাশি অভিযান চলছে৷ ধসে ৮জন আটকে পড়েছেন বলে জানাচ্ছে স্থানীয় প্রশাসন৷

Advertisement

রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে৷ তার সাথে রয়েছে বিভিন্ন জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকরা৷ উদ্ধার কাজের সাথে সাথে পুনর্বাসন ও ত্রাণের কাজও করছে স্থানীয় প্রশাসন৷

জুলাই মাসেও ধসে দুজনের মৃত্যু হয়েছিল৷ দুর্ঘটনাটি ঘটে উত্তরাখণ্ডের চামোলিতে। ধসে আরও পাঁচজন আটকে ছিলেন৷ একটানা ৩৬ ঘণ্টা ধরে ভারী বৃষ্টির জেরে ধস নামে চামোলি জেলার জুম্মা এবং ভাপকুন্দের মাঝামাঝি মালারি রোডে। নদী তীরবর্তী এলাকার গ্রামগুলি থেকে লোকজনকে সরে যেতে বলা হয় অতিবৃষ্টির জন্য। গঙ্গা, অলকানন্দা, মন্দাকিনীর বাড়ছে বলে সতর্কতা জারি করেছিল প্রশাসন৷

তার দুদিন আগে, ধস নেমেছিল চামোলিতেই৷ থারালি এবং ঘাটে মেঘভাঙা বৃষ্টির ফলে ধস নামে। প্রায় ১২টি বাড়ি, ১০টি দোকান এবং ৬টি যানবাহন তলিয়ে গেছিল। তবে মৃত্যুর কোনও খবর ছিল না। এদিকে লাম্বাগড়, পিপালকোটি এবং গউচরে প্রবল বৃষ্টির জেরে বন্ধ করে দেওয়া হয় বদ্রীনাথ হাইওয়ে।
উত্তরাখণ্ডের তেহরি জেলায় প্রচন্ড বৃষ্টিতে একটি যাত্রীবোঝাই বাস খাদে পড়ে যায়। মারা যান ১৪ জন। গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় ১৭ জনকে৷

----
--