ভারতের এই পাঁচ রহস্যময় জায়গার কথা আপনি কখনও শুনেছেন?

রহস্য সবসময়ই মানুষকে আকর্ষণ করে। আর সেই র্সয়্যের সন্ধান পেতে মানুষ ছুটে যায় দূর-দূরান্তে। কিন্তু, আমাদের দেশের মধ্যেই রয়েছে এমনকী কিছু রহস্যময় জায়গা, যার কোনও সমাধান আজও পাওয়া যায়নি। তেমনই কিছু জায়গার সন্ধান দেওয়া হল।

  • গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র

    তখনও জেট প্লেন আবিস্কার হয়নি। তার আগে থেকেই জলের তলা থেকে আসত জেট প্লেনের মতই আওয়াজ। গঙ্গা ও বহ্মপুত্রের সংযোগস্থল থেকে আজও শোনা যায় সেই আইয়াজ। এই শব্দ নিবে অনেক গবেষণা হয়েছে। কেউ বকলেছেন, ভূমিকম্পের আওয়াজ। কিন্তু তাও ভুল প্রমাণিত হয়েছে। সুনামি, গ্যাসের খনি, আগ্নেয়গিরি..ব্যর্থ হয়েছে সব ব্যাখ্যাই। একবার শুনে আসবেন নাকি সেই আওয়াজ?

  • টুইন টাউন:

যমজ ছেলে বা মেয়ে অনেকেই দেখছেন। কিন্তু, সেটা খুব সাধারণ ব্যাপার নয়। খুব কমজনের মধ্যেই এটা দেখা যায়। কিন্তু, জানেন কি আমাদের দেশে আছে এমন এক গ্রাম যেখানে ঘরে ঘরে পাওয়া যায় যমজ সন্তান। এখন সেই গ্রামে ২২০ জোড়া যমজ রয়েছে। কয়েক প্রজন্ম আগে শুরু হয়েছিল এই ট্র্যাডিশন। এখনও চলছে। গ্রামের নাম কোডিনহি। আরও অবাক-কাণ্ড ওই গ্রামের অনেক মহিলা যাদের দুরের গ্রামে বিয়ে হয়েছে, তাদেরও যমজ সন্তান জন্মানোর প্রবণতাই বেশি দেখা গিয়েছে। কারণ সম্পর্কে ব্যাখ্যা দিতে পারেননি চিকিৎসকরাও।

  • জাতিঙ্গা

এক গ্রাম। যেখানে সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত অদ্ভুত ব্যবহার শুরু করে। দলে দলে পাখিরা আত্মহত্যা শুরু করে। গাছ বা বড় বড় বাড়ির মাথা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করে তারা। বিজ্ঞানীদের মতে শীতকালে কুয়াশায় দেখতে পায়না তারা। তাই এই কাজ করে।

  • ডান্সিং লাইট

এমনিতেই রহস্যে মোড়া কচ্ছের রন। বর্ষায় সেই রহস্যময়তা বেড়ে যায় আরও খানিকটা। প্রত্যেক বর্ষায় কি ভুতুড়ে আলো নাচতে দেখা যায় আকাশে। যার উৎস জানে না কেউ। স্থানীয় লোকেরা বলে চির বাত্তি। যুগ যুগ ধরে দেখা যাচ্ছে এই আলো। নির্জন প্রান্তরে এই আলো দেখতে একবার ঘুরে আসতে পারেন বর্ষাকালে।

  • ভূতুড়ে আলো

পশ্চিমবঙ্গের কিছু জলাশয়, যা জঙ্গলে ঘেরা, সেখানে দেখা যায় এই আলো। সন্ধের পর জলের উপরে ভেসে ওঠে সবুজ আলো। কেউ কোনও ব্যাখ্যা দিতে পারেনি এই আলোর। কেউ যদি আলো লক্ষ্য করে এগিয়ে যায় তাহলে সে পথ হারিয়ে ফেলে। মনে করা হয়, মৃত জেলের আত্মাই এই আলো দেখায়।

----
-----