ভূত, এক অতীব রহস্যময় বিষয়৷ বিজ্ঞানে যার এখনও সঠিক কোনও ব্যখ্যা পাওয়া যায়নি৷ ভারতেও এমন অনেক স্থান রয়েছে, যেখানে অদৃশ্য কোনও শক্তির উপস্থিতি আজও অনুভব করা যায়৷ এ নিয়ে চলেছে তাবড় গবেষণা, তা সত্ত্বেও রহস্যের উন্মোচন হয়নি৷ তাঁরা সে সত্যিই ধরাছোঁয়ার বাইরে৷

ভানগড় কেল্লা, রাজস্থান: ভারতের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর কেল্লা ভানগড়৷ স্থানীয় লোকেরা জানান এখানে বাড়ি তৈরি হলেই সেই বাড়ির ছাদ ভেঙে পড়ে৷ আর্কিওলজিকাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার তরফে সতর্কতা দেওয়া হয়েছে সূর্যোদয়ের আগে ও সূর্যাস্তের পর কেল্লায় প্রবেশ নিষেধ৷ স্থানীয়দের থেকে শোনা যান এই কেল্লায় রাতের অন্ধকার কেউ গেলে সে আর ফিরে আসে না৷

bhangarh
দমাস বিচ, গুজরাট: কোনও এক কালে এই এলাকায় শ্মশান ছিল৷ স্থানীয়দের থেকে জানান যায়, এই এলাকা থেকে লোকেরা রহস্যময় ভাবে উধাও হয়ে যায় এবং তাদের আর কখনই খুঁজে পাওয়া যায় না৷ এই বিচে আজও ভয়ংক চিৎকার ও অদৃশ্য লোকেদের চিৎকার শোনা যায়৷

- Advertisement -

damas-beach
ডিসুজা চল, মুম্বই: জানা যায়, বহু বছর আগে এই চলের একটি কুয়োতে এক মহিলা পড়ে মারা যান৷ স্থানীয়রা বলে তার পর থেকেই প্রতিদিন রাতে ওই মহিলাকে কুয়োর চারপাশে দেখা যায়৷ যদিও ওই মহিলার আত্মা কারোর কোনও ক্ষতি করেনা৷

d-souza-chawl
শনিওয়ারবাড়া ফোর্ট, পুণে: ১৭৪৬ সালে পেশওয়া বাজিরাও এই কেল্লা তৈরি করেছিলেন৷ স্থানীয় লোকেরা বলেন, অমাবস্যার রাতে ওই কেল্লা থেকে এক ভয়ঙ্কর চিত্কার ভেসে আসে৷ কাহিনি প্রচলিত আছে, বাজিরাও এর মৃত্যুর পর রাজনৈতিক কারণেই মাত্র ১৮ বছর বয়সে নারায়ণ রাওকে এই কেল্লায় খুন করে তার মৃতদেহ নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছিল৷ জানা যায়, আজও নারায়ণ রাও তার কাকা রাঘোবাকে ডাকে, মারাঠি ভাষায় সে চিৎকার করে ‘কাকা মালা বাচাবা’৷

shaniwar-wada
রামোজি ফিল্ম সিটি, হায়দ্রাবাদ: জানা যায়, আজকের রামোজি ফিল্মসিটি যে স্থান গড়ে উঠেছে সেখানে বহুযুগ আগে যুদ্ধ হয়েছিল৷ যেখানে হাজারও লোক মারা গিয়েছিল৷ তাদের অতৃপ্ত আত্মা গোটা ফিল্মসিটিতে ঘুরে বেড়ায়৷ এখানে হঠাৎ করেই লাইটে উপর থেকে নিচে ভেঙে পড়ে, কাপড়জামা আপনা থেকেই ছিঁড়ে যায়৷ স্থানীয়রা বলেন এখানকার ভুতেরা নাকি মহিলাদেরই বেশি উত্যক্ত করে৷

ramoji

দেখে নিন ভিডিও:

Advertisement ---
-----