তিনদিনে প্রাণ গিয়েছে ৫০ পাখির, সন্দেহ বিষ প্রয়োগ

তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: কোন অজ্ঞাত কারণে অসংখ্য পাখি মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে বাঁকুড়ার মুকুটমনিপুরে। একের পর এক পাখি মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পাখি মৃত্যু ঠেকাতে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের পাশাপাশি এই ঘটনার সঠিক কারণ অনুসন্ধানের দাবি উঠতে শুরু করেছে। এলাকাবাসীর তরফে এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত কারোর সন্ধান পেলে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের টানে ফি বছর অসংখ্য পরিযায়ী পর্যটক আসেন বাঁকুড়ার রানি মুকুটমনিপুরে। আর প্রতিবছর শীতে সুদূর সাইবেরিয়া থেকে এখানে আসে অসংখ্য পরিযায়ী পাখি। মুকুটমনিপুর জলাধার সংলগ্ন ভালাইতলা এলাকায় গত কয়েক দিনে পঞ্চাশটিরও বেশী পাখি মারা গিয়েছে। কী কারণে এই পাখি মৃত্যু তা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে সন্দেহ দানা বাঁধছে।

আরও পড়ুন: ‘ডিএ’ রায় নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত সোশ্যাল মিডিয়া

- Advertisement -

গোড়াবাড়ি গ্রামে ঢোকার মুখে ভালাইতলা এলাকার একটি প্রাচীণ বট গাছে নানান রঙের অসংখ্য পাখি বাস করে। গত কয়েক দিন ধরে গাছে বাস করা বসন্তবুড়ি পাখিগুলি একের পর এক মারা যাচ্ছে। এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে কী কারণে ধারাবাহিক পাখি মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে তা নিয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছে তাঁরা৷

স্থানীয় ব্যবসায়ী ধ্রুবরাজ খাঁড়া জানান, গত কয়েক দিন ধরেই এই ঘটনা লক্ষ্য করছি। একের পর পাখি গাছের নিচে পড়ছে ও তৎক্ষনাৎ মারা যাচ্ছে। কেউ বা কারা বট গাছের ফলে বিষ প্রয়োগ করার ফলেও এই ব্যাপক পাখি মৃত্যুর ঘটনা বলে তিনি দাবি করেন।

আরও পড়ুন: বেলাকোবার চমচম আর ফুল নিয়ে সোনার মেয়ের বাড়িতে হাজির বিধায়ক

স্থানীয় যুবক চন্দন সাহু জানান, গত কয়েক দিনে চল্লিশ থেকে পঞ্চাশটি পাখি মারা গিয়েছে। এই পাখি মৃত্যুর ঘটনায় তিনি প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

এই বিষয়ে খাতড়া বনাধিকারীক প্রবীর চক্রবর্ত্তী কলকাতা 24×7কে বলেন, ‘‘কোনও কারণে দু’চারটে পাখি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখছি। তবে বট গাছে বিষ প্রয়োগের ঘটনা ঘটেছে বলে আমার কাছে কোন খবর নেই৷’’

Advertisement
----
-----