জল সরতেই ভগবানের হাতের দর্শন পেল কেরল

তিরুঅনন্তপুরম: বন্যায় সব ভেসেছে৷ সম্পত্তি, বাড়ি ঘর, প্রিয়জন আর ভালো থাকার বিশ্বাস৷ সব খুইয়েছেন তারা৷ বাঁচার নতুন লড়াই শুরু হয়েছে৷ বন্যার জমা জল সরিয়ে ধীরে ধীরে ফুটছে প্রাণের আলো৷ কেরলে তখনই দেখা দিলেন ‘ভগবান’৷

না কোনও মানুষ নন৷ কোনও উদ্ধারকারীর বেশে ভগবান নন৷ আক্ষরিক অর্থেই ভগবানকে পেয়েছেন কেরলের মানুষ৷ বা বলা ভাল, তাঁর হাতের দর্শন পেয়েছেন তাঁরা৷

কেরলের মুন্নার নামকরা হিল স্টেশন৷ মানুষ ছুটে আসেন এখানে প্রাকৃতিক রূপের জন্য৷ তবে এখন সেই রূপ বন্যার ঘাত প্রতিঘাতে অনেকটাই বিধ্বস্ত৷ তবে এখনও মানুষ আসছেন এখানে৷ তাদের আকর্ষণ সেই ‘ভগবান’কে প্রত্যক্ষ করা৷

- Advertisement -

মুন্নারের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মুথিরাফুজা নদী৷ সেই নদী ঘিরেই মানুষের আকর্ষণ কেন্দ্রীভূত হচ্ছে৷ তার একটাই কারণ এখানে ভগবানের হাত দেখতে পেয়েছেন তাঁরা৷ কোনও হেঁয়ালি নয়৷ সত্যিই নজরে পড়েছে সেই ‘হাত’৷ আসলে একটি পাথর এমন ভাবে ক্ষয়েছে যে একটা মানুষের হাতের আকার নিয়েছে সেটা৷

বন্যার জল সরতেই সেই পাথরের হাত জেগে উঠেছে৷ সবার নজর এখন সেই হাতের দিকে৷ কারণ স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন এর পিছনে ভগবানের অবদান রয়েছে৷ তাদের রক্ষা করতেই সেই হাত পাঠিয়েছেন কোনও দেবতা৷

আশ্চর্যের ব্যাপার, পাথরটি এমনভাবে আকার নিয়েছে যে সত্যি একটা হাতের আকার ধারণ করেছে সেটি৷ তাতে রয়েছে পাঁচটি আঙ্গুলও৷ স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন মুন্নারকে বাঁচাতে স্বয়ং ভগবানই এই হাত পাঠিয়েছেন৷ তবে পর্যটকদের মতে বন্যার জলের তোড়ে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়েই পাথরটি ওই আকার ধারণ করেছে৷

তবে ভগবান হোন বা প্রাকৃতিক শক্তি, দৃষ্টিনন্দন এই পাথরটি এখন পর্যটক টানছে মুন্নারে৷ সাধারণ মানুষও রোজ জড়ো হচ্ছেন এই পাথরটিকে দেখতে৷ মুন্নারে এখন বন্যার আতঙ্ক ভুলে ভগবানের হাতের ওপরেই বিশ্বাস রাখছেন সাধারণ মানুষ৷

Advertisement ---
-----