ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনি এক ব্যক্তিকে

স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ: ফের ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনি এক ব্যক্তিকে৷ ঘটনাটি ঘটেছে মালদার হবিবপুর থানা বুলবুলচন্ডী এলাকায়৷ যদিও ওই ব্যক্তির পরিচয় এখনও জানা যায়নি৷

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে য়ায় হবিবপুর থানার পুলিশ৷ উত্তেজিত জনতার হাত থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে পুলিশ৷

আরও পড়ুন: টেলস্টার আর চৌষট্টি খোপের যুদ্ধে তিলোত্তমায় রুশ কানেকশন

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরেই মালদহ জেলা জুড়ে ছেলেধরা আতঙ্ক ছড়িয়েছে৷ তাই গ্রামের সাধারণ মানুষ আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে৷ এদিন দুপুর বেলা ওই ব্যক্তিকে সন্দেহভাজনভাবে এলাকায় ঘুরতে দেখে৷ তখন তাকে দেখে সন্দেহ হয় এলাকাবাসীদের৷ গ্রামবাসীরা তাঁর নাম জিজ্ঞাসা করে৷ তখনই তাঁর কথায় অসঙ্গতি মেলে৷ গ্রামবাসীদের আরও সন্দেহ হওয়ায় তাঁকে পলে বেঁধে বেধড়ক মারধর করে৷

এলাকাবাসীদের কাছ থেকে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়৷ উত্তেজিত জনতার হাত থেকে ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে তাঁকে বুলবুলচন্ডী আর এন রায় হাসপাতালে নিয়ে যায়৷ ঘটনার তদন্তনে নেমেছে হবিবপুর থানার পুলিশ৷

আরও পড়ুন: ‘উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করবে টিম দক্ষিণ দিনাজপুর’

প্রসঙ্গত, এর আগে বহুবার বিভিন্ন জায়গায় চোর সন্দহে অনেকে মারধর করেছে৷ এমনকি মারের জন্য অনেকের মৃত্যুও হয়েছে৷ এর আগে চোর সন্দেহে গণপিটুনির অভিযোগ উঠেছিল মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায়৷ পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তির নাম মফিজুল শেখ৷ বছর ৩২-এর ওই ব্যক্তি আইসক্রিম বিক্রেতা৷ তাঁকে চোর সন্দেহে প্রথমে কিডন্যাপ করা হয়৷ পরে তাঁকে খুনও করার চেষ্টা করা হয়৷

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন রাতে বেলডাঙা রেলবাজার এলাকার মিউজক জগৎ নামে বিল্টু সেখের মোবাইলের দোকান থেকে মোবাইলের সরঞ্জাম চুরি হয়৷ সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তারা চোর সন্দেহে শনিবার মফিজুল সেখকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়৷

আরও পড়ুন: রিয়েল মর্দানি! পাঠ্যবইয়ে উঠে আসবে এই মহিলা সাব-ইন্সপেক্টরের কীর্তি

বিল্টু সেখ ও তার দলবল মিলে মফিজুল সেখকের উপর দুদিন ধরে শারীরিক অত্যাচার চালায়৷ সেই সময় সে একবার অসুস্থ হয়ে পরে৷ তখন তাকে মেরে ফেলার জন্য নদীর পাশে নিয়ে যায় তারা৷ ঠিক তখনই স্থানীয়রা দেখে ফেলে তাদের৷ স্থানীয়দের দেখে দুষ্কৃতীরা মফিজুল সেখকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়৷

গভীর রাতে বেলডাঙা মির্জাপুর এলাকা থেকে স্থানীয়রা মফিজুল সেখকে উদ্ধার করে বেলডাঙা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যান৷ সেখান থেকে চিকিৎসকরা তাঁকে বহরমপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করে৷

আরও পড়ুন: অনলাইন ভর্তি প্রক্রিয়ায় নজরদারি চালাবে শিক্ষা দফতর

Advertisement
----
-----