শিক্ষক দিবসে ছাত্র-ছাত্রীর অভিভাবকদের বিশেষ সংবর্ধনা

স্টাফ রিপোর্টার, বারাকপুর: শিশুদের কাছে প্রথম শিক্ষক বা শিক্ষিকা অভিভাবকরাই৷ এবার ছাত্র-ছাত্রীদের জীবন গড়তে গুরু দায়িত্ব পালন করলেন তাঁদের অভিভাবকরাই। শিক্ষক দিবসের সন্ধ্যায় উত্তর ২৪ পরগনার ইছাপুরে এক বিশেষ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজিত করা হয়েছিল৷

আর সেখানেই ছাত্রছাত্রীদের এবং শিক্ষক শিক্ষিকাদের সঙ্গে কৃতী ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকদেরও সম্মানিত করলেন নোয়াপাড়ার তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক সুনীল সিং। নোয়াপাড়ার বিধায়ক সুনীল সিং বলেন, ‘‘সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণনের একশো একত্রিশ তম জন্মদিন উপলক্ষে শিক্ষক দিবসে শিক্ষক এবং কৃতী ছাত্র-ছাত্রীদেরকে আমরা সংবর্ধনা দেব ভেবেছিলাম৷ কিন্তু তারপর আমরা ভাবি এই ছাত্র-ছাত্রীদেরকে তৈরি করার জন্য তাদের পরিবার এবং অভিভাবকদের সবচেয়ে বেশি কৃতিত্ব রয়েছে৷ তাই তাঁদেরকেও কুর্নিশ জানানো উচিৎ। সেই উপলক্ষে আমরা আজকে নোয়াপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত রাজ্য সরকারের অধীনস্থ বাংলা, হিন্দি, উর্দু মিডিয়াম স্কুলগুলির কৃতী ছাত্র-ছাত্রীদেরকে সংবর্ধনা দিয়েছি৷ পাশাপাশি তাঁদের অভিভাবকদেরকেও সংবর্ধনা দেওয়া হয়।’’

এই উদ্যোগ নেওয়ার কারণ স্বরূপ সুনীলবাবু বলেন, ‘‘যাতে ছাত্র-ছাত্রীরা মনে রাখে তাদের জীবন গড়তে অভিভাবকরা কতটা গুরুত্বপূর্ণ তাদের জীবনে৷’’ নোয়াপাড়া বিধানসভার অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন স্কুলের ১২০০ ছাত্রছাত্রী এবং তাদের প্রত্যেকের অভিভাবকদের ইছাপুর এটিএস হলে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এছাড়াও এই মঞ্চ থেকে প্রায় শতাধিক বিশিষ্ট শিক্ষকদেরকে সম্মান জানানো হয়।

শিক্ষক দিবসের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নোয়াপাড়া বিধায়ক সুনীল সিং, সমাজসেবী আদিত্য সিংহ ও নোয়াপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত মোহনপুর ও শিউলি পঞ্চায়েত এবং উত্তর বারাকপুর ও গারুলিয়া পুরসভার সকল প্রতিনিধিরা। এই ধরনের অনুষ্ঠানে সম্বর্ধনা পেয়ে কৃতী ছাত্র-ছাত্রীরা জানান, এর আগে তারা কোনও সময় এত সম্মান পাননি৷ এই সম্মান পেয়ে ভবিষ্যতে এগিয়ে যাওয়ার পথে তারা আরও উৎসাহিত হয়েছে।

Advertisement
----
-----