জোরে লাউডস্পিকার বাজানোর অভিযোগে মসজিদ বন্ধ করল প্রশাসন

গুরুগ্রাম: নমাজ পড়া নিয়ে ফের বিতর্ক। আবারও শিরোনামে সেই গুরুগ্রাম।

নমাজ পড়া নিয়ে বিতর্কের কারণে বন্ধ করে দেওয়া হল মসজিদ। ঘটনাটি ঘটেছে হরিয়ানা রাজ্যের গুরুগ্রামের শিতলা কলোনি এলাকায়। বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে মসজদ বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি তিন তলা বাড়ি নিয়ে অবস্থিত ওই মসজিদ। যেখানে নমাজ পড়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই চলছিল বিতর্ক। যার প্রধান কারণ হচ্ছে মসজিদে নমাজ পড়ার নামে তারস্বরে মাইক বাজানো। নিতদিন নমাজ পড়ার সময় তারস্বরে মাইক বাজানোর অভিযোগ উঠেছিল মসজিদ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।

- Advertisement -

অতিমাত্রায় লাউডস্পিকারের ব্যবহার নিয়ে সরব হয়েছিল স্থানীয় অমুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষেরা। কয়েকদিন আগে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় প্রশাসনের কাছে। এরপর থেকেই সমগ্র এলাকা জুড়ে ছড়াতে থকে চাপা উত্তেজনা। পরিস্থিতি যাতে কোনোভাবেই হাতের বাইরে না চলে যায় সেদিকে নজর ছিল প্রশাসনের। সেই কারণেই মসজিদ বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আরও পড়ুন- স্থানীয়দের বিরোধিতায় গুরুগ্রামে বন্ধ হল প্রকাশ্যে নমাজ

বেশ কয়েকটি অমুসলিম সংগঠনের তরফ থেকে মসজিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই শিতলা কলোনি এলাকায় নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন করা হয়েছিল। মসজিদ বন্ধের নির্দেশ দেওয়ার পর থেকে অনেক বাড়ানো হয়েছে সেই নিরাপত্তারক্ষীদের সংখ্যা। কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে দেওয়া হয়েছে সমগ্র এলাকা।

মসজিদ কর্ত্রিপক্ষের বিরুদ্ধে লাউডস্পিকারের ব্যবহার ছাড়াও আইন অমান্যের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীদের বক্তব্য হচ্ছে একটি বাড়িকে মসজিদ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। যা সম্পূর্ণভাবে আইন বিরুদ্ধ। সেই নিত্যদিন শতাধিক মানুষ ওই মসজিদে নমাজের জন্য আসেন। আর নমাজের লাউডস্পিকারের তাণ্ডবে বিব্রত হন সহস্রাধিক মানুষ।

আরও পড়ুন- ফের ১০ স্থানে প্রকাশ্যে নমাজে বাধা মুসলিমদের

চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে গুরুগ্রামে নিমাজ পড়া নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়। সেই সময় থেকেই গুরুগ্রামের বিভিন্ন জায়গায় ছড়ায় চাপা উত্তেজনা। নমাজ পাঠের জন্য বিশেষ কিছু জায়গা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিদৃষ্ট করে দেওয়া হয়।

Advertisement
---