নয়াদিল্লি: বায়ুসেনায় এই মুহূর্তেই দরকার ছিল ৪০টি তেজস লাইট ফাইটার জেটের। কিন্তু ভারতীয় সীমানা বরাবর চিনা ও পাক সেনার বাড়াবাড়ি রকমের গতিবিধির কথা মাথায় রেখে ৪০টি নয়, ভারতীয় বায়ুসেনায় যুক্ত হচ্ছে ১২০টি নয়া অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান।

যে তেজস যুদ্ধবিমানগুলি ভারতীয় বায়ুসেনা পাচ্ছে, সেগুলি বর্তমানে যে বিমানগুলি সক্রিয় রয়েছে, তার অ্যাডভান্সড মডেল। নয়া তেজস-এ যুক্ত হচ্ছে ‘অ্যাক্টিভ ইলেক্ট্রনিকালি স্ক্যানড অ্যারে রেডার( এ ই এস এ), যুদ্ধের সময় শত্রুর গুলিতে যাতে বিমানের ক্ষতি না হয়, তার জন্য বিশেষ বর্ম। পোশাকি নাম ‘ইলেক্ট্রনিক ওয়ার-ফেয়ার স্যুট’। এখানেই শেষ নয়, নয়া তেজস-এ থাকছে বিশেষ ভিস্যুয়াল সিস্টেম। যাতে বহু দূর থেকে ধেয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্রও পাইলটের নজরে পড়বে। নয়া অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত এই তেজসগুলির নাম হবে- তেজস এম কে ২। এগুলি হবে ফোর্থ জেনারেশন ফাইটার জেট।

Advertisement

২০২৩ সালের মধ্যে প্রস্তাবিত তেজস মার্ক ২ ভারতীয় বায়ুসেনায় যুক্ত হবে। তার আগেই অবশ্য চলে আসছে তেজস মার্ক ১। ভারতীয় বায়ুসেনা বিগত কয়েক মাস ধরেও মিগ ২১ যুদ্ধবিমানের পরিবর্তে ২ স্কোয়াড্রন (৪০টি) তেজস চাইছিল। কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের ছাড়পত্রও মিলে গিয়েছিল। কিন্তু গত ২৩ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বিশেষ সুপারিশে বায়ুসেনার কর্তারা হিন্দুস্তান এয়ারোনটিকস লিমিটেড, এয়ারোনটিক্যাল ডেভলপমেণ্ট এজেন্সি(এডিএ) ও সেন্টার ফর মিলিটারি এয়ারো ওয়ার্দিনেস অ্যান্ড সার্টিফিকেশন(সি ই এম আই এল এ সি)-র সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত করে ফেলেছেন। নয়া তেজস-এ চলন্ত অবস্থায় জ্বালানি ভরার মত সুবিধাও থাকছে। সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ ওড়ার জন্য জি ই-৪১৪ ইঞ্জিন।

tejas

----
--