‘শুভেন্দুবাবু আমাকে চেনেন, directly নয় indirectly’

দিঘা: ট্রাফিক বিধি ভেঙে পর্যটকের দাদাগিরির অভিযোগ উঠল দিঘা-নন্দকুমার জাতীয় সড়কের হেঁড়িয়া মোড়ে৷ শনিবারের ঘটনা৷ অভিযোগ মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন ওই পর্যটক ও তাঁর সঙ্গীরা৷ সিভিক ভলান্টিয়ার গাড়ি আটকাতেই নিজেকে আইএএস অফিসার পরিচয় দিয়ে হম্বিতম্বি শুরু করেন৷ এমনকী নিজেকে শুভেন্দু অধিকারীর পরিচিত বলেও দাবি করেন তিনি৷ সূত্রের খবর, শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কোনও পরিচয়ই তাঁর নেই৷

আরও পড়ুন: যুগাবতার শ্রীরামকৃষ্ণ ও মোদীকে একই আসনে রাখলেন বিজেপি নেতা

অভিযুক্ত ওই ব্যক্তির নাম অভিজিৎ দত্ত৷ বাড়ি কলকাতায়৷ পেশায় ব্যবসায়ী৷ এদিন দিঘায় যাচ্ছিলেন অভিজিৎ৷ অভিযোগ, স্বাভাবিক অবস্থায় ছিলেন না তিনি৷ ট্রাফিক নিয়মের তোয়াক্কা না করেই গাড়ি হাঁকিয়ে চলেছিলেন দিঘা-নন্দকুমার জাতীয় সড়কে৷ হেঁড়িয়া মোড়ের কাছে ট্রাফিক পুলিশ তাঁর গাড়িটি আটকান৷

- Advertisement -

এরপরই শুরু হয় ঝামেলা৷ অভিযোগ, নিজেকে বিরাট ক্ষমতাবান বলে জাহির করার চেষ্টায় একের পর এক ভুলভাল কথা বলে চলেন অভিজিৎ৷ প্রথমে নিজেকে আইএএস অফিসার বলে পরিচয় দেন৷ যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেননি তিনি৷ অভিজিৎ বলেন, ‘‘আমি মোটেই আইএস পরিচয় দিইনি৷ মিথ্যা কথা বলছে৷ আইএস আমাকে চেনে বলেছি৷ আমি কখনও মিথ্যা কথা বলি না৷’’

শুনে নিন ঠিক বললেন অভিজিৎ দত্ত…

অন্যদিকে শুভেন্দু অধিকারী তাঁকে চেনেন ট্রাফিক পুলিশের কাছে এমন দাবিও করেছিলেন তিনি৷ কিন্তু ক্যামেরার সামনে অন্য কথা বলেন৷ অভিজিতের দাবি, ‘‘শুভেন্দুবাবু আমাকে চেনেন৷ ডাইরেক্টলি না ইনডাইরেক্টলি চেনেন৷’’ ঠিক কীরকম পরোক্ষভাবে সেই চেনা তাঁর ব্যাখ্যা অবশ্য অভিজিৎ দিতে পারেননি৷ তবে দাবি করেছিলেন, তিনি যে গাড়িতে চড়ে এসেছেন সেটি নাকি শুভেন্দুবাবুর৷ যদিও পরে জানা যায়, ওই গাড়ি বহুদিন আগেই বিক্রি করে দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী৷

আরও পড়ুন: বন্ধের পথে কাঁথি সংস্কৃত কলেজ, নষ্ট হবে অমূল্য বইয়ের সম্ভার

তবে জেরার মুখে মাথা কিন্তু ঝোঁকাননি এই ব্যক্তি৷ গলা উঁচিয়ে একের পর এক অভিযোগকে ভুল প্রমাণে মরিয়া তিনি৷ তবে স্বীকার করে নেন যে তাঁর সঙ্গীরা মদ্যপ অবস্থাতেই ছিলেন৷ অভিযোগ, তিনি পুলিশকে নাকি হুমকিও দেন মাওবাদীদের দিয়ে গুলি করে মারা হবে৷ প্রথমে তাঁকে ও তাঁর গাড়ির চালককে আটক করা হলেও চালকটি ছুটে পালানোর চেষ্টা করে৷ যদিও শেষ রক্ষা হয়নি৷ পুলিশ ধাওয়া করে আটক করে তাঁকে৷ এই ঘটনা ঘিরে শনিবার বিকেলে কার্যত শোরগোল পড়ে যায় হেঁড়িয়া মোড়ে৷

Advertisement
---