কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়ায় স্ত্রীকে তাড়িয়ে দিল স্বামী

স্টাফ রিপোর্টার, শিলিগুড়ি: বিয়ের সময় নগদ দেড় লক্ষ টাকা পণ নিয়েছিল ‘গুনধর’ জামাই৷ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর আর্থিক চাহিদাও বাড়ছিল৷ নববধূ কন্যা সন্তান জন্ম দেওয়ায় এবার শুরু হয় শারীরিক অত্যচার৷

দাবি একটাই, বাপের বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে আসতে হবে বধূকে৷ তাতে রাজি না হওয়ায় মারধর করে শিশুকন্যা সহ বধূকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল স্বামীর বিরুদ্ধে৷ ঘটনাটি শিলিগুড়ির দক্ষিণ শান্তিনগর এলাকার৷ অত্যাচারের মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ায় অভিযুক্ত স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় দ্বারস্থ হয়েছেন বধূ৷

লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে৷ তবে ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত পলাতক৷ তার খোঁজে পুলিশ তল্লাশি শুরু করেছে৷ পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শিলিগুড়ির দক্ষিণ শান্তিনগর এলাকার বাসিন্দা রামকৃষ্ণ রায়ের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলার বাসিন্দা খুশবু রায়ের৷ পুলিশকে লিখিত অভিযোগে খুশবু জানিয়েছেন, বিয়ের সময় রামকৃষ্ণ নগদ দেড় লাখ টাকা নিয়েছিল। কিন্তু তারপরও পণের চাহিদা বাড়তে থাকে। মাঝে মধ্যে টাকা আনার জন্য চাপ দেওয়া হত৷ কন্যাসন্তান হওয়ার পর অত্যাচার আরও বেড়ে যায়৷

যার সর্বশেষ সংযোজন, রবিবার জামাইয়ের অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে এলে শাশুড়ি লক্ষ্মী রায়কেও রামকৃষ্ণ মারধর করেন বলে অভিযোগ৷ এরপর শাশুড়ি, স্ত্রী ও মেয়েকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেন তিনি৷ বাধ্য হয়েই বিচার চেয়ে থানার দ্বারস্থ হন নিগৃহীতা বধূ৷ ঘটনার পর থেকেই গা ঢাকা দিয়েছে অভিযুক্ত৷ তার খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ৷

---- -----