তিন বছর পর উইম্বলডনে ফিরছেন শারাপোভা

লন্ডন: ঠিক যেন ১৪ বছরের অজ্ঞাতবাস৷ সাফল্যের ছোঁয়া পাওয়া এক সম্ভাবনাময় তারকার ট্রফির খোঁজে হন্যে হয়ে ফেরার গল্প৷ ২০০৪’এ অল ইংল্যান্ড লন টেনিস ক্লাব দেখেছিল টিন এজার এক রাশিয়ান তরুণীর আগ্রাসন৷ যদিও খেতাব জয়ের পর এক দশক সেমিফাইনালের বাধা টপকাতে পারেননি রুশ টেনিস সুন্দরী৷ মাঝে ডোপ টেস্টে ধরা পড়ে নির্বাসন ও ওয়াইল্ড কার্ড নিয়ে বিতর্কের জেরে গত দু’বছর এসডব্লু ১৯’এ পা দেওয়া হয়নি মারিয়া শারাপোভার৷ অবশেষে তিন বছরের ব্যবধান ঘুচিয়ে উইম্বলডনের আসরে ফিরছেন মারিয়া শারাপোভা৷

২০০৩’এ প্রথমবার উইম্বলডন খেলতে নামেন শারাপোভা৷ সেবার চতুর্থ রাউন্ড পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছিল তাঁর অভিযান৷ পরের বছর দ্বিতীয়বারের জন্য উইম্বলডন খেলতে নেমেই বাজি মাৎ করেন৷ ২০০৪’এর ফাইনালে সেরেনা উইলিয়ামসকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হন মাশা৷ সেই থেকে উইলিয়ামসের সঙ্গে কোর্টের বৈরিতা শুরু রুশ তারকার৷

পরে ২০১১’র ফাইনালে পেত্রা কিতোভার কাছে হারা ছাড়াও আরও তিনবার উইম্বলডনের সেমিফাইনালে উঠেছিলেন শারাপোভা৷ শেষবার ২০১৫’র সেমিফাইনালে সেরেনার কাছেই হারতে হয়েছিল তাঁকে৷ তার পরেই টেনিস সার্কিটকে স্তম্ভিত করে সামনে এসেছিল মাশার ডোপ টেস্টে ধরা পড়ার প্রসঙ্গ, যার জেরে নির্বাসিত হতে হয় পাঁচ বারের গ্র্যান্ড স্ল্যামজয়ী বিশ্বের প্রাক্তন এক নম্বর তারকাকে৷

- Advertisement -

গত বছর উইম্বলডনের আগেই নির্বাসন থেকে ফিরে আসেন মাশা৷ তবে পর পর টুর্নামেন্টে তাঁর ওয়াইল্ড কার্ড পাওয়া নিয়ে বিতর্ক শুরু হওয়ায় সামান্য চোটকে ঢাল করে উইম্বলডন থেকে সরে দাঁড়ান শারাপোভা৷ এবার ফরাসি ওপেনে মন্দ খেলেননি মাশা৷ ডব্লুটিএ ব়্যাংকিংয়ের প্রথম পঁচিশে ঢুকে পড়ায় উইম্বলডনের ২৪ তম বাছাইয়ের মর্যাদা পাচ্ছেন তিনি৷ এখন দেখার প্রিয় উইম্বলডনের কাম ব্যাক মঞ্চকে যথাযথ ব্যবহার করতে পারেন কি না মাশা৷

Advertisement ---
---
-----