তৃণমূল সভাপতিকে খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য মধ্যমগ্রামে

প্রতীকী ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, বারাকপুর: এলাকার ওয়ার্ড সভাপতিকে খুনের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ালো রবিবার৷ ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যমগ্রাম ১ নং ওয়ার্ড এলাকায়৷ মৃতের নাম সুধীর দাস৷

পরিবারের অভিযোগ, তাঁকে খুন করে একটি কারখানার সেপটিক ট্যাঙ্কের মধ্যে ফেলে দেওয়া হয়৷ রবিবার সকালে ওই সেপটিক ট্যাঙ্কের মধ্যে থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার করে স্থানীয় ও পুলিশ৷ সেই সঙ্গে তাঁর সারা শরীরে মিলেছে আঘাতের চিহ্ন৷

আরও পড়ুন- কড়া নিরাপত্তায় দ্বিতীয় নাগরিকপঞ্জীর তালিকা প্রকাশ অসমে

- Advertisement -

প্রসঙ্গত, মধ্যমগ্রাম পুরসভার ১ নং ওয়ার্ড তৃণমুল সভাপতি ছিলেন সুধীর দাস। শনিবার সকাল ৬ টায় বাড়ি থেকে কাজের উদ্দেশ্যে বেড়িয়ে যান সুধীরবাবু৷ এরপরই তাঁর আর কোনও খোঁজ পাওয়া যায় না৷ অনেক খোঁজাখুঁজির পরেও খোঁজ পাওয়া যায় না।

রবিবার দিগবেড়িয়ায় একটি কারখানা থেকে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁর দেহ উদ্ধার হয় একটি কারখানার সেপটিক ট্যাঙ্কের ভিতর থেকে। পরিবারের অভিযোগ, বেশ কিছুদিন থেকেই বিনয় রায় নামে এক ব্যক্তি তাঁদের বাড়ি এসে সুধীরবাবুকে হুমকি দিচ্ছিল৷ তবে সেই হুমকির কারণ কি তা স্পষ্ট নয়৷

আরও পড়ুন- প্রকাশ্যে পুলিশের উর্দি খুলে নেওয়ার হুমকি বীরভূমের এই তৃণমূল নেতার

কারখানা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গিয়েছে, কারখানার সিসি টিভিতে দেখা গিয়েছে সুধীরবাবু ঢোকার কিছুক্ষণ পর মুখ ঢাকা এক আগন্তুক প্রবেশ করে সেখানে৷ প্রায় মিনিট কুড়ি পর সে আবার বেড়িয়ে যায়৷ এরপর থেকেই আর খোঁজ মেলেনি সুধীরবাবুর। এলাকাবাসীর অনুমান, ওই আগন্তুকই খুন করেছে তাঁকে। তবে সে কে বা কেন কি উদ্দেশ্যে তাঁকে খুন করল সে বিষয় এখনও কোনও সঠিক তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি৷

আরও পড়ুন- জেলায় গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব থামান, মমতার মন্ত্রীকে পরামর্শ সুজনের

এদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় মধ্যমগ্রাম থানার পুলিশ৷ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সুধীরবাবুর পরিবার থেকে বিনয় রায় বলে ওই ব্যাক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে৷ অভিযোগের ভিত্তিতেই মধ্যমগ্রাম থানার পুলিশ বিনয় রায় সহ মোট চার জনকে গ্রেফতার করে৷ মধ্যমগ্রাম থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

Advertisement ---
-----