কাঁচে ঘেরা নয় ‘খোলা জায়গাতেই’ ঘুরে-বেড়াবে অ্যানাকোন্ডা

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা : ছোট জায়গায় অ্যানাকোন্ডা রাখা সম্ভব নয়, তাই নতুন করে জায়গা তৈরি করা হচ্ছে চিড়িয়াখানায়। এমনটাই জানালেন আলিপুর চিড়িয়াখানার প্রধান আশিস সামন্ত।

নজির গড়ে আলিপুরের চিড়িয়াখানায় প্রথমবার আসছে অ্যানাকোন্ডা। তাও একটা নয় একসঙ্গে চারটি সাপ আনছে কলকাতার চিড়িয়াখানা। এর আগে সরীসৃপ ভবনে বহু বিষধর স্থান পেয়েছে। কিন্তু অ্যানাকোন্ডা প্রজাতির সাপ কখনও আসেনি। সেটাই এবার হতে চলেছে।

শীতের কলকাতার চিড়িয়াখানার জন্য ফের সুখবর। দু’টি মেয়ে অ্যানাকোন্ডা ও দুটি পুরুষ হলুদ অ্যানাকোন্ডাকে নিয়ে আসছে কর্তৃপক্ষ। মাদ্রাজ চিড়িয়াখানা এই বছরের শুরুর দিকেই চারটি সরীসৃপকে দান করতে চেয়েছিল। তাদের প্রস্তাব লুফে নিয়েছিল কলকাতার চিড়িয়াখানা। কিন্তু চিড়িয়াখানায় যেকোনোও পশু পাখি বা প্রাণী নিয়ে আসবার আগে সেন্ট্রাল জু অথরিটির গ্রিন সিগন্যাল প্রয়োজন। সেটার জন্যই অপেক্ষা করছিল আলিপুর চিরিয়খানা।

- Advertisement -

বেশ কিছু মাস অপেক্ষার পর সেন্ট্রাল জু অথরিটির গ্রিন সিগন্যাল মিলেছে। আগামী বছরের মার্চ এপ্রিল মাসেই আসছে ওই চারটি সরীসৃপ। আলিপুর চিড়িয়াখানার প্রধান আশিস সামন্ত জানিয়েছেন, “এই সাপ গুলি প্রত্যেকটির বয়স এক থেকে দেড় বছর করে।” চার থেকে পাঁচ ফুট সাপ গুলির উচ্চত হবে বলা জানিয়েছেন আশিসবাবু।

প্রশ্ন হল সরীসৃপদের জন্য যে জায়গাগুলি রয়েছে সেগুলি কি অ্যানাকোন্ডার জন্য যথেষ্ট হবে? কারণ এরপরে সময়ের সঙ্গে সাপের দৈর্ঘ্য বাড়বে। আর অ্যানাকোন্ডার আঁকার আয়তন যে কত হতে পারে তার জন্য প্রাণী বিশারদ হওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। আশিস সামন্ত জানিয়েছেন, “ আমরা খুব ভালো ভাবেই জানি আমাদের যে জায়গা রয়েছে অন্যন্য সাপের জন্য বা যে কয়টি কাঁচের জায়গা সাপের জন্য ফাঁকা পড়ে রয়েছে তাতে ওই অ্যানাকোন্ডা রাখলে হবে না। তাই নতুন জায়গা আমরা বানাবো। সেখানেই আমরা রাখবো ওই সাপগুলিকে।” তিনি এও জানিয়েছেন, “ কাঁচের জায়গার পাশে একটি ওপেন এনক্লোজার রয়েছে সেখানেই রাখার ব্যবস্থা করা হবে ইয়েলো অ্যানাকোন্ডাগুলোকে।”

এই বছরেই কৃত্রিম উপায়ে রক পাইথন, বার্মিজ পাইথন ও রেটিকুলেটেড পাইথনের প্রজনন করিয়েছিল আলিপুর চিড়িয়াখানা। এবার অ্যানাকোন্ডা এনে সরীসৃপ বিভাগ যে আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে তা বলাই যায়।

Advertisement
---