সহপাঠীকে গণধর্ষণ! সেই ভিডিও ফাঁস করার হুমকি দিয়ে চলছে হেনস্থা

বিজয়ওয়াড়া: গণধর্ষণ ও তারপর ব্ল্যাকমেলের অভিযোগে গ্রেফতার করা হল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের তিন প্রাক্তন ছাত্রকে। ফাইনাল ইয়ারে এক সহপাঠীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। বছর ঘুরেও দিনের পর দিন হেনস্থা করা হচ্ছে ওই ছাত্রীকে।

অন্ধ্রপ্রদেশের কৃষ্ণা জেলার আগিরিপল্লীর একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ঘটনাটি ঘটে। ২০১৭-তে ওই গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন অভিযোগকারিনী। এক বন্ধুর বার্থ ডে পার্টিতে গিয়ে ঘটনার শিকার হন ওই তরুণী। তাঁকে জোর করে মদ খাইয়ে ধর্ষণ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। একটি হোটেলে পার্টি চলাকালীন সেই ঘটনা ঘটে। সেখানেই শেষ নয়। গণধর্ষণের ভিডিও রেকর্ডও করা হয়।

গত দু’মাস ধরে অভিযুক্তদের মধ্যে একজন ফের ওই তরুণীকে ব্ল্যাকমেল করছে। ফের যৌন সম্পর্কের জন্য চাপ দিচ্ছে তরুণীকে। ওই ভিডিও অনলাইনে ফাঁস করে দেওয়ার হুমকিও দিচ্ছে সে। এই ঘটনার পরই আর কোনও উপায় না দেখে পুলিশকে অভিযোগ জানান তরুণি ও তাঁর পরিবার। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের মামলা দায়ের করা হয়েছে। কৃষ্ণ ভামশি, শিবা রেড্ডি ও ডি প্রবীণ নামে তিনজনের নামে অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

কিছুদিন আগেই একটি মেডিক্যাল কলেজে ধর্ষণের খবর প্রকাশ্যে আসে। উত্তরপ্রদেশের মেডিক্যাল কলেজে ঘটে সেই ঘটনা৷ গোরক্ষপুরের বাবা রাঘবদাস মেডিক্যাল কলেজ শিরোনামে আসে। ১৫ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা হয় ওই কলেজে।

ট্রেন ধরে সে প্রথমে লখনউয়ে আসে। স্টেশনে সোনালি নামে এক তরুণীর সঙ্গে তার আলাপ হয়। সোনালি নিজেকে নার্স বলে পরিচয় দিয়ে তাকে চাকরি দেবে বলে হাসপাতালে নিয়ে যায়৷ সেখানে ফোনে চার্জ দেওয়ার নাম করে ছাদে নিয়ে তাকে আফরোজের হাতে তুলে দেয় সোনালি। মেয়েটির চিৎকার শুনে লোকজন ছুটে আসায় পালিয়ে যায় আফরোজ।