স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা : সত্যকাম৷ নামটাই শুনলেই ক্ষোভে ফেটে গোটা মুসৌরি শহর৷ সেটা হওয়াটাই স্বাভাবিক৷ ভিলেন তকমাটাও তার চরিত্রিক বৈশিষ্ট্যের কাছে খুবই কম৷ ক্যাসানোভা, কাপুরুষ, চরিত্রহীন, অনেকেই বিভিন্ন নামেই চেনেন তাঁকে৷ তবে ব্যোমকেশ কীভাবে দেখছেন সত্যকামকে? সেটাই জানার পালা এসে গিয়েছে৷ সত্যকামের চরিত্রে নিজেকে নতুন করে গড়ে তোলা কতটা কঠিন ছিল? সেটাই জানালেন অভিনেতা অর্জুন চক্রবর্তী৷

ছবিতে এমন কিছু তথ্য রয়েছে যা নতুন করে ভাবিয়ে তুলবে ব্যোমকেশপ্রেমী সহ অন্যান্য দর্শকদের৷ এতো পাহাড়ি জায়গা ছেড়ে কেন মুসৌরিতে শ্যুটিং হল৷ পাহাড় কেনই বা ছবির গল্পের জন্য এতটা গুরুত্বপূর্ণ৷ কীভাবে সত্যবতী এবং অজিত অজান্তে অনেকটা প্রভাব ফেলে ব্যোমকেশের সিদ্ধান্তে সে গল্পও রয়েছে ছবিতে৷ ব্যোমকেশের তদন্তে অনেকাংশে অজিত এবং সত্যবতীর হাত রয়েছে৷

কয়েক দিন পরই মুক্তি পেতে চলেছে ‘ব্যোমকেশ গোত্র’৷ মুভি অব দ্য ক্যাপ্টেন অর্থাৎ পরিচালক অরিন্দম শীল। প্রধান চরিত্রে অভিনয়ে থাকছেন আবির চট্টোপাধ্যায়। সিগনেচার ধুতি-গেঞ্জি ছেড়ে এবার ওভারকোট, গলায় মাফলার, হাতে চুরুট আর মোটা কালো ফ্রেমের চশমার বদলে হাফ রিমলেসে ধরা দিয়েছেন সত্যান্বেষী। আসলে অরিন্দমের ব্যোমকেশ সিরিজ এখন ট্র্যাভেলগের মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে দর্শকের কাছে। গোয়েন্দাগিরির টানটান উত্তেজনা মাঝে অপূর্ব কিছু লোকেশন৷ তাই জন্য অরিন্দম কখনও ছুটে যান বারাণসী তো কখনও বা উত্তরবঙ্গ!

এবারের প্রেক্ষাপট পাহাড় হওয়ায় চরিত্রদের পোশাকেও পরিবর্তন এসেছে। ব্যোমকেশ সহ সকলের লুকেই হয়ে গিয়েছে হাওয়া বদল। তবে পরিচালক আগেই জানিয়েছিলেন, ”এ সিনেমায় ব্যোমকেশ গোটা ছবিতে শুধু ওভারকোট পরছে, এমন নয়। অন্য পোশাকও পরবে, ধুতিও পরবে।” বইয়ের পাতার ব্যোমকেশকে সিনেম্যাটিক করতে গেলে অনেক কিছুই বদলাতে হয়। শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘রক্তের দাগ’ অবলম্বনে ‘ব্যোমকেশ গোত্র’। অরিন্দম গল্পকে গড়েছেন, নিয়ে গিয়েছেন মুসৌরিতে।

‘ব্যোমকেশ গোত্র’ ছবিতে প্রথম থেকেই একটা সমস্যা তৈরি হয়েছিল অজিতের চরিত্রকে নিয়ে। কখনও শোনা গিয়েছিল ঋত্বিক চক্রবর্তীর নাম। তো কখনও রাহুল অরুণদোয় বন্দ্যোপাধায়ের নাম৷ আবার অনেকে এও বলেছিল যে শাশ্বতই থাকতে পারেন অজিতের চরিত্রে৷ অবশেষে সবরকম জল্পনা কাটিয়ে রাহুলকেই দেখা গেল অজিতের চরিত্রে৷

--
----
--