বুয়া-বাবুয়ার রহস্যজনক অনুপস্থিতিতে চিন্তিত রাহুল

যোধপুর: শুরুটা হয়েছিল কুমারস্বামীর শপথ গ্রহণের মঞ্চ থেকে৷ সেদিন কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রীর শপথে বসেছিল চাঁদের হাট৷ সঙ্গে ছিল বিজেপি বিরোধী জোট গঠনের বার্তা৷ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জোট গঠন প্রক্রিয়া অনেকটাই এগিয়েছে৷ তাই কর্ণাটকের মতোই আরও একবার রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিশগড়ে মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে অবিজেপি জোট অটুটের বার্তা দিতে চেয়েছিল কংগ্রেস৷ কিন্তু অখিলেশ ও মায়াবতীর অনুপস্থিতি তাতে কিছুটা হলেও ধাক্কা দিল৷

রাজস্থানে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ অশোক গেহলটের

তিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির থাকার জন্য সব বিজেপি বিরোধী দলকে আমন্ত্রণ পাঠায় কংগ্রেস৷ উত্তরপ্রদেশের দুই প্রধান দল সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব এবং বহুজন সমাজ পার্টির সুপ্রিমো মায়াবতীর কাছেও আমন্ত্রণ যায়৷ মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থানে দুই দলই কংগ্রেসকে সমর্থন করেছে৷ তাই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে তারা উপস্থিত থাকবেন এটা প্রত্যাশিত ছিল৷ কিন্তু সোমবারের শপথে দু’দলের তরফে কেউই উপস্থিত হননি৷ যা নিয়ে কিছুটা হলেও জলঘোলা শুরু হয়েছে৷ শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও হাজির থাকতে পারেননি৷ কিন্তু সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদীকে পাঠিয়েছেন তিনি৷

এদিকে তিন রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ বাক্য পাঠ করেছেন কংগ্রেসী মুখ্যমন্ত্রীরা৷ তিনটি রাজ্যে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী৷ আগে রাজস্থান থেকে শুরু হয় শপথ বাক্য পাঠ অনুষ্ঠান৷ সেখানে মুখ্যমন্ত্রী পদে অশোক গেহলট এবং উপমুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন সচিন পাইলট৷ পরে দুপুর একটায় ভোপালে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন কমলনাথ৷ বেলা চারটেয় রায়পুরে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন ভূপেশ বাঘেল৷

সৌজন্যে রাহুল গান্ধীর ট্যুইট

তবে অখিলেশ ও মায়াবতীর অনুপস্থিতির পরেও তিনরাজ্যের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আরও একবার চাঁদের হাট বসতে চলেছে তা বুঝিয়ে দিয়েছে রাজস্থান৷ সেখানে উপস্থিত ছিলেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু, কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী এইচডি কুমারস্বামী, জম্মু কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লা, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচডি দেবগৌড়া, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শরদ পাওয়ার, বিহারের নেতা শরদ যাদব, আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব, ডিএমকে নেতা স্তালিন প্রমুখ৷

----