খাবারের ট্রে হাতে হাজির ‘জিনজার’৷ বুঝলেন না তাই তো? ভাবছেন কে এই জিনজার? সম্প্রতি, নেপালের এক রেস্তোরাঁতে দেখা মিলেছে জিনজারের৷ তাও আবার নিপুণ ওয়েটারের ভূমিকায়৷ একদল ইয়াং উদ্ভাবনকারীই জন্ম দেয় উদ্ভাবনটির৷ তারপর, থেকেই তার ব্যস্ততা শুরু৷ প্রায় পাঁচ ফুটের জিনজার দুই ধরণের ভাষাই বোঝে, ইংরেজি এবং নেপালি৷ রাজধানী কাঠমান্ডুর নাউলো রেস্তোরাঁতেই আপাতত বাস জিনজারের৷

পড়ুন: জারোয়াদের মতো এখনও রয়েছে বোন্দা উপজাতি

২৫ জনের ইয়াং ইঞ্জিনিয়ারদের মিলিত প্রচেষ্টার ফল হিসেবেই সামনে আসে রোবট জিনজার৷ দলের এক অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার জানাচ্ছেন, রোবট তৈরির কাজ সম্পূর্ণ করতে বেশ কয়েক মাস সময় লেগেছে৷ চার মাস বয়সী নাউলো রেস্তোরাঁতেও রয়েছে অভিনবত্বের ছোঁয়া৷ খাবার মেনুই রেস্তোরাটির আকর্ষণ নয়৷ অনেকেই আবার রোবট দর্শনের আশায় ভিড় জমাচ্ছেন রেস্তোরাঁতে৷

পড়ুন: ‘হলোগ্রামকে’ বিয়ে! সে আবার কী? পড়ুন প্রতিবেদন

আধুনিকতা রয়েছে রেস্তোরাঁটির পরতে পরতে৷ টেবিলে ফিট করা রয়েছে একটি টাচ স্ক্রিন মেনু কার্ড৷ যেখান থেকে নিজের মনের মত ডিস অর্ডার করতে পারবেন সাধারণ মানুষ৷ স্ক্রিন টাচের মাধ্যমেই দেওয়া যাবে অর্ডার৷ খাবার রেডি হলে রান্নাঘরে ডাকা হবে জিনজারকে৷ আর নির্দেশমত সে পরিবেশন করবে অর্ডার করা খাবার৷ নেপালের এক ৭৩ বছরের বাসিন্দা জানাচ্ছেন, এটা সম্পূর্ণ নতুন ধরণের অভিজ্ঞতা৷ তিনি আরও জানান, তার জন্মের অনেক পরে নেপালে টেলিভিশন এসেছিল৷

পড়ুন: অল্প সময়েই অনেক টাকার মালিক হতে চান?

তাই, আপনি যদি ভ্রমণপিপাসু হন৷ আর, সামনেই নেপাল যাওয়া পরিকল্পনা থাকে৷ তাহলে, অবশ্যই ঘুরে আসতে পারেন এই আধুনিক প্রযুক্তিতে চালিত রেস্তোরাঁটি থেকে৷ নিজের চোখেই দেখে নেবেন কীভাবে কাজ করে এই জিনজার৷ প্রকৃতি দর্শনের সঙ্গে সঙ্গে খাদ্যতালিকাতেও পেতে পারেন অভিনব স্বাদ৷ যা আপনার অভিজ্ঞতাকে করে তুলবে আরও বেশি ইন্টারেস্টিং৷

----
--