এটিএম জালিয়াতির তদন্ত, রোমানিয়ান কনস্যুলেটের সঙ্গে যোগাযোগ পুলিশের

ফাইল ছবি

সুভাষ বৈদ্য, কলকাতা: এটিএম জালিয়াতির তদন্তে এবার রোমানিয়ান কনস্যুলেটের সঙ্গে যোগাযোগ করতে চলেছে কলকাতা পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল৷ এখনও পর্যন্ত এটিএম প্রতারণার অভিযোগে পুলিশের হাতে গ্রেফতার মোট আট জন৷

ধৃতদের মধ্যে ৫ জনই রোমানিয়ান৷ পুলিশের অনুমান, প্রতারণা চক্রের অন্যতম চাঁইও ধৃত কর্নেল৷ সেও রোমানিয়ান৷ তাই তদন্তের স্বার্থে সেই দেশে ধৃতদের কার্যকলাপের হদিশ পেতে চাইছে কলাকাতা পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দলের অফিসাররা৷

আরও পড়ুন: বালুরঘাটে জামিন পেলেন সিপিএম নেতারা

- Advertisement -

স্কিমিং মেশিন বসিয়ে এটিএম জালিয়াতি করত প্রতারকরা৷ ধৃতদের জেরায় এখনও পর্যন্ত জানা গিয়েছে স্কিমিং মেশিন আসত মূলত চিন থেকে৷ ডার্ক ওয়েব থেকে বিট কয়েনের মাধ্যমে কেনা হত স্কিমিং মেশিন৷ তাই এটিএম জালিয়াতির তদন্তে নেমে বিদেশীযোগের বিষয়টিও অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা৷ বুধবার ভারত-নেপাল সীমান্ত থেকে এটিএম প্রতারণার চাঁই নানা-ভাইকো আরুলকে আটক করে শুল্ক দফতর।

বৃহস্পতিবার কলকাতা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে৷ এই নানাই দিল্লি থেকে বিভিন্ন এটিএম জালিয়াতির বিষয়টি পরিকল্পনা ও সমন্বয় করত বলে মনে করছেন পুলিশ৷ তাকে জেরা করেই আদ্রিয়ান লিবিউ ও কর্নেল কনস্ট্যাটেন নামে দুই রোমানিয়ান নাগরিকের নাম উঠে আসে৷ বিশেষ অভিযান চালিয়ে ইন্দোর থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়৷ শুক্রবার ধৃত এই তিন জনকেই ব্যাঙ্কশাল কোর্টে পেশ করা হলে ২৪শে অগাষ্ট পর্যন্ত পুলিশ হেপাজতের নির্দেশ দেন বিচারক৷

আরও পড়ুন: প্রধান শিক্ষকের বদলি আটকাতে আন্দোলনে ছাত্ররা

এর আগে এটিএম জালিয়াতির দায়ে দিল্লি থেকে দুই রোমানিয়ান ও মহারাষ্ট্রের তিন জন পুলিশের জালে ধরা পড়ে৷ তাদের জেরায় উঠে আসে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য৷ সেই সব সূত্র মিলিয়েই এটিএম জালিয়াতির ঘটনার তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে কলকাতা পুলিশ৷

আরও পড়ুন: যুব বিজেপিকে তৃণমূলের বধের টোটকা দিতে রাতেই শহরে প্রমোদ-কন্যা

Advertisement ---
---
-----