বন্দি অপহরণের ছক বানচাল, পুলিশের জালে কুখ্যাত ৯ দুষ্কৃতী

ঔরঙ্গাবাদ (মহারাষ্ট্র) : সিনেমার কায়দায় বন্দি অপহরণের ছক কষা হয়েছিল৷ পুলিশ হেফাজত থেকে কুখ্যাত দুষ্কৃতী ইমরান মেহেন্দিকে নিয়ে পালানোর পরিকল্পনা করেছিল এই নজন৷ তবে পুলিশের নজর এড়ায়নি৷ প্ল্যান বাস্তবায়িত করার আগেই তা বানচাল করল মহারাষ্ট্র পুলিশ৷

এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে ইতিমধ্যেই নজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ৷ সোমবার ইমরানকে জেলা আদালতে পেশ করার কথা ছিল৷ পরিকল্পনা ছিল আদালতে পেশ করার পর যখন ইমরানকে ফেরত নিয়ে যাওয়া হবে, তখনই তাকে অপহরণ করা হবে৷

২০১২ সালের মার্চ মাসে একটি খুনের দায়ে ইমরান মেহেন্দিকে গ্রেফতার করে পুলিশ৷ তার সঙ্গে আরও সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়৷ এই পরিকল্পনার কথা আগে জানতে পেরে মহারাষ্ট্রের নারেগাঁও শহরের বাইরেই ফাঁদ পাতে পুলিশ৷ এবার শুরু হয় পুলিশের প্ল্যানের বাস্তবায়ন৷

ঔরাঙ্গাবাদ পুলিশের ডেপুটি কমিশনার দীপালি ঘাডগে ধাটে জানান, পুলিশ জানতে পেরেছিল নারেগাও এলাকা থেকেই ইমরানকে অপহরণ করতে পারে তার সঙ্গীরা৷ ইমরানের ডান হাত হাবিব খালেদ মহম্মদ ওরফে খালেদ চাউস, মহম্মদ শোয়েব ওরফে মহম্মদ সাদিক এই পরিকল্পনার পিছনে ছিল৷ এরা সাতজন দুষ্কৃতীকে ভাড়া করে এই অপারেশন চালানোর জন্য৷ তাদের প্ল্যান ছিল কিছু লোক পুলিশের এসকর্ট ভ্যানে হামলা চালাবে প্রথমে৷ তারপর বাকিরা ইমরানকে নিয়ে পালাবে৷

কিন্তু পুলিশ আগে থেকেই ওই এলাকায় গিয়ে জোরদার তল্লাশি চালায়৷ গ্রেফতার করা হয় নজনকে৷ এর মধ্যে ইমরানের অন্যতম দুই সাগরেদ হাবিব খালেদ মহম্মদ ওরফে খালেদ চাউস, মহম্মদ শোয়েব ওরফে মহম্মদ সাদিকও ছিল৷ এদের কাছ থেকে পুলিশ একটি পিস্তল, সাতটি বুলেট ও একটি নম্বরপ্লেটহীন জীপ বাজেয়াপ্ত করেছে৷

ক্রাইম ব্রাঞ্চের এই সাহসিকতার জন্য পুলিশ কমিশনার চিরঞ্জীব প্রসাদ ৫০ হাজার টাকার পুরস্কার ঘোষণা করেছেন৷

----
-----