মন্দির-মসজিদ অনেক হয়েছে! অন্তত একটা ‘ম্যাক ডি’ চায় অযোধ্যাবাসী

অযোধ্যা: ২৫ বছর হয়ে গেল। রাম মন্দির না বাবরি মসজিদ, তা নিয়ে আজও চলছে বিতর্ক। রাজনৈতিক দলের প্রতিশ্রুতি, বিরোধীদের পাল্টা, এসব নিয়ে ২৫ বছর ধরে শিরোনামে অযোধ্যা। কিন্তু ধর্ম আর রাজনীতির কচকচানিতে তিতিবিরক্ত নয়ের দশকের ছেলেমেয়েরা। না, আর কোনও ধর্মীয় অশান্তি চায় না তারা। অনেক হয়েছে এসব। আর পাঁচটা শহুরে ছেলেমেয়ের মত তারাও চায় একটা শপিং মল সিনেমা হল কিংবা ভালো রেস্তোরাঁ। ধর্ম বাদ দিয়েও যে অযোধ্যার একটা অস্তিত্ব আছে সেটাই খুঁজে পেতে মরিয়া তারা।

ডিসেম্বরেই ২৫-এ পা দিয়েছে সাইমা আলি। তাঁর জন্মের মাসেই হয়েছিল সেই অশান্তি। জ্বলে উঠেছিল অযোধ্যা। সাইমার ইচ্ছা, একটা ভালো সিনেমা হল হোক অযোধ্যায়। সাইমার বন্ধু রানি মিশ্র বলছে, ম্যাকডোনাল্ডের মত একটা দোকান হওয়া উচিৎ অযোধ্যায়। আমাদের এখানে কোনও অভিজাত রেস্তোরাঁ নেই। রেস্তোরাঁয় খেতে গেল সেই ৩৫ কিলোমিটার দূরে ফইজাবাদে যেতে হয়। বছর দুয়েক আগে তাদের ম্যাকডোনাল্ডের খাবার খেতে লখনউ যেতে হয়েছিল।

সাইমার কথায়, ‘পৌরানিক গল্পে ডুবে থাকা একটা শহরে আমাদের নিজেদের মেলে ধররা কোনও জায়গা নেই। আমাদের কি বিনোদনের কোনও অধিকার নেই? আমাদের শহরেই জন্মেছেন অভিনেত্রী অনুস্কা শর্মা।’ তার কথাতেই সায় রয়েছে রাণীর। আর পাঁচটা শহুরে ছেলেমেয়ের মতই বাঁচতে চায় তারা।

- Advertisement -

একসময় একটা সিনেমা হল ছিল অযোধ্যায়। ছিল ২০টি সিট। ছিল একটা সিডি প্লেয়ার আর প্রজেক্টর। সেটাও বন্ধ হয়ে গিয়েছে বছর কয়েক আগে। অযোধ্যাবাসীর মতে, নেতা-মন্ত্রীরা কখনই চান না যে আধুনিকতার চাদরে ঢাকা পড়ে যাক মন্দির-মসজিদ ইস্যু।

সূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া

Advertisement
-----