রাম মন্দির তৈরিতে আইন পাশ করানো দরকার : বিজেপি মন্ত্রী

ফাইল ছবি

লখনউ: আইনি পথে লড়াই যেমন চলছে চলুক৷ রাম মন্দির তৈরি করতে হলে আইন করে এগোতে হবে৷ তবেই রাম মন্দিরের বাস্তবায়ন সম্ভব৷ এমনই মত উত্তরপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য্যর৷ ২০১৯ সালের নির্বাচনী লড়াই যত এগিয়ে আসছে, তত রাম মন্দির ইস্যুর সুর চড়া হচ্ছে৷ বিজেপির কাছে রাম মন্দির ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের মূল অ্যাজেন্ডা, এমনই মত বিশেষজ্ঞদের৷

এই বছরের শুরুতে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল রাম মন্দির ও বাবরি মসজিদ ইস্যুর সঙ্গে মিশে রয়েছে রাজনৈতিক আবেগ৷ তাই ধীর গতিতে এগোনই শ্রেয়৷ কারণ এই ইস্যু একেবারেই একটি জমি সংক্রান্ত বিবাদ৷ সাধারণ অ্ন্যান্য এই জাতীয় মামলার মতো করেই দেখা হবে বাবরি মসজিদ মামলাকে৷ কিন্তু অপেক্ষা করতে রাজি নন উত্তরপ্রদেশের উপ মুখ্যমন্ত্রী৷

পড়ুন: রাম মন্দির নিয়ে এত সময় নিচ্ছে কেন বিজেপি? প্রশ্ন শিবসেনার

- Advertisement -

তাঁর মতে সুপ্রিম কোর্ট পদক্ষেপ করতে দেরি করলে সংসদে আইন পাশ করিয়ে বিজেপিকে এগোতে হবে রাম মন্দির গঠনের ক্ষেত্রে৷ তিনি বলেন মানুষের পূর্ণ ভরসা রয়েছে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের ওপরে৷ তবে রায় বেরোতে দেরি হলে, বিজেপি সরকারকেই এগিয়ে আসতে হবে৷ সংসদে প্রয়োজনে বিল পাশ করিয়ে নতুন আইন প্রণয়ন করতে হবে এই ইস্যুতে৷ তবেই রাম মন্দির গঠন ও বাস্তবায়ন সম্ভব৷

তবে এর পাশাপাশি, তাঁর মত আলোচনার মাধ্যমেও সমস্যার সমাধান সম্ভব৷ তবে সেই সম্ভাবনা উজ্জ্বল নয় বলেও মনে করছেন তিনি৷ তবে সুপ্রিম কোর্টের এই রায় তাড়াতাড়ি বের করা উচিত বলে জানিয়েছেন মৌর্য্য৷
এরআগে, উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক ও ধর্মীয় নেতা রাম বিলাস ভেদান্তি বলেন আদালত নির্দেশ দিক বা না দিক অযোধ্যায় রাম মন্দির হবেই৷ ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের আগে যে কোনও মূল্যে মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু হবে৷

এদিন রাম বিলাস বলেন, ‘‘রাম যেখানে জন্মেছিলেন সেখানেই মন্দির নির্মাণ করা হবে৷ রাম মন্দির নির্মাণের জন্য কোনও আদালতের নির্দেশের অপেক্ষা করা হবে না৷ আদালত মন্দির নির্মাণের নির্দেশ দিলে ভালো৷ না দিলেও মন্দির ওখানেই হবে৷ ২০১৯ এর আগেই মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু হবে৷’’

এক সর্বভারতীয় সংবাদপত্রের খবরে প্রকাশিত হয়, হায়দরাবাদে একটি জনসভায় যোগ দিয়ে বিজেপি প্রেসিডেন্ট স্পষ্ট করে দেন রাম মন্দির নির্মাণের বিষয়টি। জানা যায়, ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের আগেই নির্মাণ হবে রাম মন্দির। এ নিয়ে যাবতীয় উদ্যোগে নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন গেরুয়া শিবিরের চাণক্য অমিত শাহ।

Advertisement ---
---
-----