আসানসোলে কর্মী খুন, দিল্লিতে সরব বাবুল

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: রবিবার রাতে আসানসোলের বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনার পর দিল্লিতে মুখ খুললেন স্থানীয় সাংসদ এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় ৷ সোমবার বিজেপির সদর দফতর ১১ নম্বর অশোকা রোডে বসে সাংবাদিকদের বাবুল জানান, রাজনৈতিক খুন কমানোর জন্য রাজনৈতিক সদিচ্ছা দরকার৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তা নেই৷

বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্ব অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের ছাতার তলায় বেড়ে উঠেছে দুষ্কৃতী সইফুল৷ গুলি নাকি সেই চালিয়েছে৷ তবে তৃণমূল বিজেপির অভিযোগকে পাত্তা দিতে চায়নি৷ তাদের বক্তব্য, বিজেপির ওই নেতা খুন হয়েছে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণে৷ বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব ইতিমধ্যেই এলাকায় আন্দোলন শুরু করেছে৷

শশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক খুন নিয়ে দু’দিন আগেই সরব হয়েছিলেন বিজেপির সর্ভভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ৷ তিনি বসেছিলেন, বিহার থেকে ২০ শতাংশ এবং উত্তরপ্রদেশ থেকে ৭০ শতাংশ বেশি রাজনৈতিক খুন হয় পশ্চিমবঙ্গে৷ পুরুলিয়াতে দলিত যুবক দুলাল কুমার, ত্রিলোচন মাহাতো এবং জগন্নাথ কুণ্ডর খুনের কিনারা এখনও কেন রাজ্য প্রশাসন করতে পারলো না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি৷

বিজেপির বক্তব্য, জাতীয় ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর পরিসংখ্যান, দেশের ২৬ শতাংশ রাজনৈতিক খুন হয় পশ্চিমবঙ্গে৷ ৩৪ শতাংশ মহিলা পাচার হয়, ডান্স বারের সাংখ্যাও বেড়েছে৷ কলেজ ভর্তি হতে গেলে বিষয়প্রতি ৬০ হাজার টাকা লাগছে৷ বিবেকানন্দ-রামকৃষ্ণের বাংলা এখন বোমের কারখানা৷ রাজনৈতিক ভাবে অভিযোগের জবাব দেওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে তৃণমূলও৷

---- -----