বনধ ব্যর্থ, এটা বিজেপির নৈতিক জয়: রাহুল সিনহা

শেখর দুবে, কলকাতা: লোকসভা নির্বাচনের আগে বাম কংগ্রেসের ডাকা সোমবারের ভারত বনধ অনেকটাই নিজেদের জনসমর্থন বুঝে নেওয়া মঞ্চ ছিল দুটি দলের কাছেই৷ কেন্দ্রীয় সরকারের জনবিরোধী নীতির বিরোধিতা করে এই বনধ ডেকেছিল বাম ও কংগ্রেসরা৷ পেট্রোল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি, রাফায়েল দুর্নীতির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জড়িয়ে সোমবারের বনধের সঙ্গে৷ স্বাভাবিকভাবেই এই ভারত বনধ চাপে রাখছিল রাজ্য বিজেপিকে৷

কিন্তু বনধের দিন সকালে কলকাতাসহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গাতে রাস্তাঘাটে সাধারণ মানুষকে স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় দেখা যায়৷ এ নিয়ে রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতা রাহুল সিনহা Kolkata24x7-কে সোজাসুজি বলেন, ‘‘সিপিএম বলে কী কিছু আছে নাকি আর! বনধ ব্যর্থ হবে আগেই জানতাম৷ সেটাই হয়েছে৷’’

পাশাপাশি রাহুল সিনহা আরও বলেন, ‘‘মানুষ ওদের কথা শোনে না৷ ওরা নিজেদের কথা আজ নিজেরাই শোনে না৷ মানুষ কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে রয়েছে৷ মোদীজীর সমস্ত নীতি সাধারণ মানুষের কথা ভেবে সবার জন্য৷ মানুষ সেটা বোঝে৷ সাধারণ মানুষ কেন্দ্রের সঙ্গে রয়েছেন৷’’ শুধু সিপিএম বা কংগ্রেস নয়, কেন্দ্রের বিভিন্ন নীতি, ডলারের সাপেক্ষে টাকার দাম পড়ে যাওয়া এবং পেট্রোল ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির বিরোধিতা করে আসছে রাজ্য ও দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলি৷ বনধের বিরোধিতা করলেও বনধের ইস্যুগুলিকে সমর্থন জানিয়েছিল তৃণমূলও৷ স্বাভাবিকভাবেই এই বনধ ব্যর্থ হলে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলবে বলেই বিশেষজ্ঞমহলের মত৷

- Advertisement -

বনধে সফল না হলে কী সেটা নিজেদের জয় বলে ধরবে বিজেপি? এই প্রশ্নের উত্তরে রাজ্য বিজেপির জাতীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা বলেন, ‘‘একশ শতাংশ তাই৷ কেন্দ্র যে ঠিক রাস্তায় আছে মানুষ রাস্তায় নেমে বনধ ব্যর্থ করে তা বুঝিয়ে দিয়েছে৷ মানুষ বিজেপির সঙ্গেই রয়েছে৷ ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের আগে এটা আমাদের নৈতিক জয়৷’’

Advertisement ---
---
-----