একাধিকবার আত্মহত্যার করার চেষ্টা করেছিলাম! বিস্ফোরক এই অভিনেত্রী

জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়া ইতিমধ্যে বাংলাদেশের র‍্যাম্প মডেল! শুধু তাই নয় ছোট পর্দা কিংবা বড় পর্দাতেও অভিনেত্রী হিসাবে যথেষ্ট নাম করেছে। বাংলাদেশের ছেলেদের কাছে জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়া এক গ্ল্যামারাস কন্যা। আইন নিয়ে ইতিমধ্যে পড়াশুনা শেষ করেছে পিয়া।

ভবিষ্যতে তিনি ব্যারিস্টার হতে চান। রাজনীতিবিদ হওয়ারও ইচ্ছা রয়েছে তাঁর। ফ্যাশন সচেতন এই মডেল কন্যা যে হারে আত্মহত্যার প্রবণতা দিনে দিনে বাড়ছে সেই চিন্তা থেকে বেশ চিন্তিত হয়ে পড়েন। শুধু চিন্তিত হয়ে পড়াও নয় এক সময়ে একটি ফেসবুকে পোস্টও করে ফেলেন তিনি।

সেখানে জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়া নিজের জীবনের অভিজ্ঞতার কথা লিখতে গিয়ে তিনি লিখেছেন ‘অনেক বার চিন্তা করেছিলাম আত্মহত্যা করব নাকি’। আর এই স্ট্যাটাস ঘিরে বেশ উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। যদিও ঘটনা বছরখানেক আগেকার। তবে সেই সময় জনপ্রিয় এই মডেলের এহেন ইচ্ছার ঘটনা রীতিমত তাঁর অনুগামীদের আতংকিত করে তুলেছিল।

স্ট্যাটাসটিতে তিনি আরও লিখেন, ‘ইদানিং ফেসবুক খুললেই ডিভোর্স বা আত্মহত্যা বা কারও মৃত্যু, ডিভোর্স বা মৃত্যু কষ্টকর, হলেও মেনে নিতে হয়, কিন্তু আত্মহত্যা মেনে নেয় যাই না। স্কুলে থাকতে আমার একবার রেজাল্ট খারাপ হয়েছিল, অনেক বার চিন্তা করেছিলাম আত্মহত্যা করব নাকি, ফ্যান এর দিকে তাকাই মনে হল, হয় ওড়না ছিঁড়ে যাবে যার ফলে পড়ে যেয়ে কোমর ভাঙবে, পরে দেখলাম এতো লম্বা আমি যে ঝোলা সম্ভব না, সত্যি কথা বলতে কি এতো চিন্তা করতে করতে ভাবলাম এসব বাদ দিয়ে আবার পরের পরীক্ষা এর জন্য পড়া শুরু করি, আজকে ভাবি কি বোকামিই না ছিল চিন্তা চেতনা নাহলে উকিল বা মডেল একটা হারাতেন।

ডিভোর্স মিডিয়া এর মানুষের কি শুধু হয়, আসে পাশে তাকান, মিডিয়া এর মানুষের টা নিউজ এ পান আর আসে পাশের মানুষেরটা খবর ঘরের মধ্যে পান। আমার কাছের কিছু মানুষের এ ডিভোর্স হয়েছে, ভালো ফ্যামিলি, শিক্ষিত, সবাই চুপ, কিন্তু মিডিয়া এর মানুষের হলেই , ‘যার বিয়ে তার খোঁজ নাই পার পড়শির ঘুম নাই’। মৃত্যু, এখানেই বিজ্ঞানের মানুষের চিরো পরাজয় থাকব, অসহায় এর মতো শুধু প্রিয় মানুষের চলে যাওয়া দেখা ছাড়া কিছু কখনোই করার থাকবে না।’

----
-----