ঢাকা: ঢাকার গুলশনে হোলি আর্টিসন বেকারি ক্যাফে জঙ্গি মুক্ত করার সময় ভুলবশত পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয় এক পণবন্দির৷ জঙ্গি সন্দেহে গুলি করা হয় ওই ব্যক্তিকে৷ এই খবর এনডিটিভি-র৷

এনডিটিভি-র খবর অনুযায়ী, শুক্রবার রাতে অভিজাত গুলশন এলাকায় ওই ক্যাফেতে ঢুকে পরে জঙ্গির দল৷ ক্যাফেতে উপস্থিত ২০ জনকে বন্দি বানায় তারা৷ বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে খতম হয় ছয় জঙ্গি৷ জীবিত গ্রেফতার করা হয় এক জঙ্গিকে৷ ঢাকার সিনিয়র পুলিশ অফিসার সইফুল ইসলাম জানান, পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন ওই রেস্তোরাঁর পিৎজা তৈরির দায়িত্বে থাকা সইফুল ইসলাম চৌকিদারের৷ গুলশনে জঙ্গিহানার দায় স্বীকার করে নিয়েছে আইএস৷ আক্রমণকারী জঙ্গিদের নামও ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে তারা৷ যদিও বাংলাদেশ সরকারের দাবি, আক্রমণকারীরা বহিরাগত নয়৷ তাদের মধ্যে একাধিক জঙ্গি সেদেশেরই জঙ্গি সংগঠন জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশের (জেএমবি) সদস্য৷এদের পিছনে আইএসআইয়ের আর্থিক সহায়তা রয়েছে বলেও সন্দেহ৷ তবে জঙ্গিদের মধ্যে যারা ধনী পরিবারের ছেলে, তাদের মগজ ধোলাই করেছিল আইএস-ই৷

Advertisement

তবে সইফুল ইসলাম চৌকিদারের ভবিতব্য নিয়ে বাংলাদেশের গোয়েন্দাবাহিনীর মধ্যেই ধোঁয়াশা রয়েছে৷সেদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরাপত্তা উপদেষ্টা জানিয়েছেন, সেদিন ওই রেস্তোরাঁয় যারা হামলা চালিয়েছিল, তাদের মধ্যে একজনকে জীবিত অবস্থায় ধরা গিয়েছে৷ আরেকজন বেপাত্তা৷ আর সে-ই হল সইফুল ইসলাম চৌকিদার৷এই অভিজাত রেস্তোরাঁয় সে কাজে লেগেছিল বছরখানেক আগে৷ তাকে পাওয়া যাচ্ছে না৷তা থেকেই সন্দেহ জেগেছে যে, এই সইফুল জঙ্গিদেরই একজন৷

----
--