পদ্মাপারে ভোট: বেগম বিহীন নির্বাচন হবে ধরেই নিয়েছেন কর্মীরা

ঢাকা: দলনেত্রীর প্রার্থীপদ বাতিল হচ্ছে সেটা ধরেই নিয়েছেন বিএনপি কর্মী-সমর্থকরা৷ শনিবার নির্বাচন কমিশনে বেগম জিয়ার প্রার্থী হওয়া নিয়ে শুনানি শেষ হলেও তার রায় দেওয়া হয়নি৷ ফলে একটা ক্ষীণ আশা থাকলেও তাতে খুব একটা বল যে পাচ্ছেন না বিএনপি কর্মীরা তা পরিষ্কার৷

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেত্রী তথা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া তিনটি আসনে প্রার্থী হতে চেয়েছেন৷ কিন্তু জিয়া চ্যারিটেবল সোসাইটির আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে তিনি জেলে বন্দি৷ দু বছরের বেশি সাজার মেয়াদ হওয়ায় তিনি আইনত প্রার্থী হতে পারবেন না৷ তবুও দলের তরফে দলনেত্রীর হয়ে নির্বাচন কমিশনে আপিল করা হয়েছে৷ সেই শুনানি স্থগিত করেছেন নির্বাচন কমিশন৷

খালেদা জিয়া ফেনী-১ এবং বগুড়া-৬ ও বগুড়া-৭ আসন থেকে দলীয় মনোনয়নপত্র জমা দেন। তবে তিনি দণ্ডিত হওয়ায় রিটার্নিং কর্মকর্তারা তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল বলে ঘোষণা করেন।গত ৫ ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা তাঁর পক্ষে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইসিতে আপিল আবেদন করেন।

- Advertisement -

শুনানি শেষে বেরিয়ে বিএনপির আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিন জানান, ‘নির্বাচনকালীন আচরণবিধি বা অপরাধের যে ধারায় বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ বেআইনি। কারান্তরীণ খালেদা জিয়া কীভাবে বিধি লঙ্ঘন করবেন তার বিরুদ্ধে যুক্তি দেওয়া হয়েছে। ইসি বিকাল ৫টায় এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত জানাবে। আমরা আশাবাদী। আশা করি, এ ব্যাপারে ন্যায়বিচার পাব।’