স্টাফ রিপোর্টার, বারাকপুর: এ যেন শেষ হয়েও হইল না শেষ৷ কথাতেই আছে বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ৷ দুর্গা পুজো শেষ তো কি হয়েছে! এখনও তো বাকি আছে কালি পুজো৷ আর তাতেই নতুন করে আনন্দের রোল বাঙালি হৃদয়৷ সেজে উঠছে পাড়ার ওলি গলি৷ তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন থিমের মণ্ডপ৷ উত্তর ২৪ পরগণার বারাসতের কালী পুজোর খ্যাতি দেশ জোড়া৷

প্রত্যেক বছরের মত এই বছরেও কালী পুজো দেখতে বারাসত শহরে ভিড় করবেন লক্ষাধিক দর্শনার্থী। বারাসত ও মধ্যমগ্রাম শহরে ছোট বড় মিলিয়ে অন্তত ৫০০-র ও বেশি কালী পুজো হয়। বড় পুজোর সংখ্যা প্রায় ৫০ টি। কালী পুজোর প্রস্তুতি এই মুহূর্তে তুঙ্গে বারাসত শহর জুড়ে। বারাসতে কালী পুজোর আগে শহরের সার্বিক পরিস্থিতি ঘুরে দেখলেন বারাসতের মহকুমা পুলিশ আধিকারিক দুর্বার ব্যানার্জি। তার সঙ্গে ছিলেন বারাসত থানার আইসি দীপঙ্কর ভট্টাচার্য।

মঙ্গলবার সকালে উত্তর ২৪ পরগণা জেলা পুলিশের ওই প্রতিনিধিদল প্রথমে বারাসত নবপল্লী অ্যাসোসিয়েশনের পুজো মন্ডপে যান৷ সেখানে পুজোর প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেন এবং পুজো কমিটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। দর্শনার্থীদের প্যান্ডেলে প্রবেশের ও বেরোনোর পথে কোথায় কি সুবিধা, অসুবিধা আছে৷ তা পুজো কমিটির কর্মকর্তাদের কাছ থেকে পুলিশ কর্তারা বিস্তারিতভাবে জেনে নিয়েছেন। উত্তর ২৪ পরগণা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পুজো কমিটির উদ্যোক্তাদের বেশ কিছু উপদেশও দেওয়া হয়।

এই বিষয়ে বারাসতের এসডিপিও দুর্বার ব্যানার্জি বলেন, ‘‘পুজো কমিটিগুলোর সার্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে আজকে আমরা এখানে এসেছি। সবকিছু দেখলাম যাতে কালি পুজোর সময় কোন সমস্যায় দর্শনার্থীদের পড়তে না হয়। আগামী দিনেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কালীপুজোর আগে এই ধরনের পরিদর্শন চলবে৷ যাতে সুস্থভাবে বারাসত ও মধ্যমগ্রাম শহরে সধারণ মানুষ কালী পুজোয় ঠাকুর দেখতে পারে, সেই জন্যই আজকে আমরা এই পরিদর্শন করি।’’

বারাসতে কালী পুজোয় প্রতিবছরই বিপুল সংখ্যক মানুষের সমাগম হয়৷ সেই কথা চিন্তা করেই জেলা পুলিশের তরফ থেকে বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। তারই অঙ্গ হিসাবে মঙ্গলবার এই পুজোর প্রস্তুতি পরিদর্শন বলে মনে করা হচ্ছে।

--
----
--