রোগীর পরিবারের হাতে রাখি বাঁধলেন জুনিয়ার ডাক্তাররা

সঞ্জয় কর্মকার, বর্ধমান: হাসপাতালের জুনিয়ার ডাক্তারদের সঙ্গে রোগীদের পরিবারের বচসা নিয়ে মাঝেমধ্যেই তোলপাড় হয়৷ কিন্তু রাখী উৎসবের দিন দেখা গেল এক অন্য ছবি৷ রোগীদের বাড়ির লোকেদের হাতে রাখী বেঁধে মিষ্টি খাওয়ালেন হাসপাতালের জুনিয়র ডাক্তাররা।সৌহার্দ্যের বার্তা ছড়াল বর্ধমান মেডিকেল কলেজে৷

রবিবার গোটা দেশ যখন রাখী বন্ধন উত্সবে মাতোয়ারা তখন সম্প্রীতির বার্তাকে তুলে ধরতে এগিয়ে এল বর্ধমান মেডিকেল কলেজের জুনিয়র ডাক্তাররা৷ এদিন তাঁরাও ভ্রাতৃত্বের, সৌহার্দ্যের, সম্প্রীতির রাখী পড়িয়ে দিলেন রোহীর বাড়ির লোকেদের হাতে।

বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সুপার ডা: উৎপল দাঁ জানিয়েছেন, তাঁরা এই উদ্যোগের মধ্যে দিয়ে উভয়ের সম্পর্ককে আরও ভাল, বিরোধহীন করার চেষ্টা করেছেন৷

- Advertisement -

এদিন বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পাশাপাশি গোটা জেলা জুড়েই রাখীবন্ধন উত্সব পালিত হয়েছে। বর্ধমানের ৪ নং ওয়ার্ডের বাজেপ্রতাপপুরে রাখী বন্ধন উৎসবের সঙ্গে সঙ্গে পালিত হয়েছে সেভ ড্রাইভ, সেফ লাইফের প্রচার।

বর্ধমান পুরসভার মানবিক প্রকল্পের ১০জন উপভোক্তাদের হাতে শংসাপত্রও দেওয়া হয়েছে। উপস্থিত ছিলেন বাজেপ্রতাপপুর রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী অজ্ঞেয়ানন্দজী মহারাজ, কাউন্সিলার মহঃ আলি, ওয়ার্ড কমিটির সম্পাদক নুরুল আলম ও বিশিষ্ট সমাজসেবী শ্রী দেবু গঙ্গোপাধ্যায় প্রমুখরা।

যঅন্যদিকে, এদিন জেলার মূল অনুষ্ঠানটি পালিত হয় বর্ধমানের উদয়চাঁদ গ্রন্থাগারে। হাজির ছিলেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি দেবু টুডু, জেলাশাসক অনুরাগ শ্রীবাস্তব প্রমুখরা।

কার্জন গেটের সামনেও এদিন পালিত হয় রাখীবন্ধন উত্সব। হাজির ছিলেন জেলাশাসক, জেলা পরিষদের সভাধিপতি, জেলা পুলিশ সুপার প্রমুখরা। এদিন বাজেপ্রতাপপুর থেকে একটি পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়ে শেষ হয় টাউন হলে। রাখীবন্ধনকে সামনে রেখে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পথ নিরাপত্তার প্রচারে মিছিলও করা হয়৷

Advertisement ---
---
-----