আখ, আদা, পাতিলেবু বলি দিয়েই এখানে পুজো হয় বাসন্তীর

তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: বাঁকুড়ার রানিবাঁধের প্রত্যন্ত গ্রাম বেঠুয়ালা। এই গ্রামের মানুষ অপেক্ষায় থাকেন বছরের বিশেষ এই ক’দিনের জন্য। যে যেখানেই থাকুন গ্রামে ছুটে আসেন৷ সৌজন্য, সর্বজনীন বাসন্তী পুজো।

এবছর ৩৭ বছরে পর্দাপণ করল রানিবাঁধের বেঠুয়ালা গ্রামের বীনাপানি ক্লাবের বাসন্তী পুজো। এই পুজো সম্পূর্ণ বৈষ্ণব মতে হয়। ছাগ বলি সম্পূর্ণ রুপেই নিষিদ্ধ। তবে আখ, আদা, পাতিলেবু বলিদান হয়।

কিভাবে শুরু এই পুজোর?

- Advertisement -

উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, গ্রামের এক ব্যক্তি বছর চল্লিশ আগে এক দুরারাগ্য রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তৎকালীন সময়ে প্রত্যন্ত এই গ্রামে যোগাযোগ ব্যবস্থা তেমন উন্নত ছিল না। গ্রাম থেকে বাঁকুড়া শহরের দুরত্বও প্রায় ৬০ কিলোমিটার। তখন গ্রামেরই একজন স্বপ্নাদেশ পায়৷ বাসিন্দাদের দাবি, তারপর ওই ব্যক্তি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে গেলে পুজোর সূচনা করা হয়।

পুজোর দিন সকালে গ্রামের পুকুর থেকে শোভাযাত্রা সহকারে নবপত্রিকা ও ঘট আনা হয়। প্রতিমাতে দেখতে পাওয়া যায় শারদীয়া দুর্গার ছোঁয়া। সিংহ বাহিনী এক চালা এই প্রতিমাতে আলাদা আলাদা ভাবে থাকেন লক্ষী, সরস্বতী, কার্তিক ও গণেশ। এবং পুজোও হয় সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী ও বিজয়া দশমীর তিথি অনুযায়ী।

Advertisement
----
-----