বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে মামলা করবে রাজ্য বিজেপি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: সুপ্রিম কোর্টে মামলার কথা জানিয়েছিলেন রাজ্য বিজেপির পঞ্চায়েত নির্বাচন কমিটির আহ্বায়ক মুকুল রায়৷ বুধবার রাত পর্যন্ত সেই মামলা না হলেও, বৃহস্পতিবার রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচনের পরিপ্রেক্ষিতে সম্ভবত ওই মামলা দায়ের করতে চলেছে বিজেপি৷

গত দুই এপ্রিল পঞ্চায়েত নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র জমা নেওয়া শুরু হওয়ার পরই রাজ্যজুড়ে হিংসার ঘটনা দেখা দিচ্ছে৷ ৩১ মার্চ পঞ্চায়েতের বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ার পরই মামলার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ৷ কিন্তু কর্মবিরতির জন্য কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করা সম্ভব হয়নি৷ আপাতত ১৯ এপ্রিলের আগে কলকাতা হাইকোর্টে কর্মবিরতি উঠে যাওয়ার কোনও সম্ভাবনা৷ তাই, স্পেশাল লিভ পিটিশনের সাহায্য নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি৷

কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হতে পারে না বলে মনে করছে রাজ্য বিজেপি৷ জানা গিয়েছে, রাজ্য পুলিশের সামনেই শাসকদলের ‘গুণ্ডারা’ ভোট ‘লুঠ’ করবে, তাই অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য সর্বোচ্চ আদালতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি জানানো হবে৷ বিস্তারিত দাবির মধ্যে থাকবে, পয়লা মে, ৩ মে এবং ৫ মে, তিন পর্বে নির্বাচন অসাংবিধানিক৷ পরীক্ষার সময়ে মাইক্রোফোনে প্রচার করা যাবে না৷ তাই মাত্র ১৫ দিনেই প্রচার সারতে হবে৷ এই নির্ঘণ্ট পূর্ব পরিকল্পিত৷ বিরোধীদের লড়াই থেকে সরিয়ে দিতে এই পরিকল্পনা করা হয়েছে৷

এ সব দাবির ভিত্তিতে দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়া এবং পঞ্চায়েত নির্বাচন কমিটির আহ্বায়ক মুকুল রায়ের তত্ত্বাবধানেই বৃহস্পতিবার মামলা হবে বলে জানা গিয়েছে৷

এ দিকে বুধবার তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ২ ও ৩ এপ্রিল গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরে বিরোধীরা সম্মিলিতভাবে তৃণমূল কংগ্রেসের থেকে ২০৭টি মনোনয়নপত্র বেশি জমা দিয়েছেন৷ যদি সন্ত্রাসই হতো তবে বিরোধীরা কী করে বেশি মনোনয়নপত্র জমা দিলেন? প্রত্যুত্তরে রাজ্য বিজেপির সহ সভাপতি বিশ্বপ্রিয় রায় চৌধুরি বলেন, ‘‘বাঁকুড়ার রানিবাঁধে অজিত মুর্মু খুনের দায়িত্ব কি পার্থবাবু নেবেন? তৃণমূলের গুণ্ডাদের হাতে ওই বিজেপি কর্মী খুন হয়েছেন৷ কিন্তু পার্থবাবু শান্তিপূর্ণ মনোনয়নের কাহিনি প্রচার করছেন৷’’

Advertisement
----
-----