গান্ধীনগর: প্রবল প্রতিকূলতার মুখে বাঙালিদের সেরা উৎসব দীর্ঘদিনের দুর্গাপুজো। তাও আবার খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর রাজ্যেই। সৌজন্যে আমিষ খাবার।

দুর্গাপুজোয় খাওয়া যাবে না আমিষ খাবার। নিজের বাড়িতে খাওয়া গেলেও মণ্ডপের আশেপাশে আমিষ খাবারের দোকান দেওয়া যাবে না। এমনই সরকারি ফরমানে চাপে আমেদাবাদ শহরের দুর্গাপুজো উদ্যোক্তারা।

 

প্রায় সাত দশক ধরে ভারতের ম্যাঞ্চেস্টার শহরে দুর্গাপুজোর আয়োজন করে আসছে অহমদাবাদে বাঙালিদের সংগঠন বেঙ্গল কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন (বিসিএ)। পুজোমণ্ডপ চত্বরেই থাকে নানা ধরনের আমিষ খাবারের স্টল। মাছ, মাংসের নানা পদের স্বাদ নেন বাঙালিরা।

এবার সেই খাবারের উপরে জারি হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। বেঙ্গল কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের এক ট্রাস্টি জানিয়েছেন, পুজোর কয়েকদিন আগে তাঁদের জানানো হয়, প্রাঙ্গনে আমিষ খাবার পরিবেশন করা যাবে না।

দুর্গাপুজোর সময় গুজরাতে চলে নবরাত্রি। দাণ্ডিয়া, গরবা করে এই নয় দিন উদযাপন করেন ওই রাজ্যের বাসিন্দারা। নবরাত্রিতে প্রতিদিন একেক রূপে পূজিত হন মা দুর্গা। এই নয় দিন উপবাস ও নিরামিষ খেয়ে উত্সব পালন করেন গুজরাতিরা। ওই বিশেষ সময়ে সমগ্র রাজ্যজুড়েই নিরামিষ খাবারের প্রচলন করতে চাইছে গুজরাত সরকার।

কিন্তু এই সরকারি ফতয়ায় প্রবল প্রতিকূলতার মধ্যে পড়েছে পুজো উদ্যোক্তারা। আমেদাবাদ শহরে প্রায় চার লক্ষের কাছাকাছি বাঙালি থাকেন। দুর্গা পুজোর সংখ্যা প্রায় ১৫টি। যার মধ্যে সব থেকে বড় পুজোর আয়োজন করে বেঙ্গল কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনের পক্ষ থেকে নক দাস অধিকারী বলেন, “পরের বছর অন্যত্র পুজো সরিয়ে নিয়ে যেতে হবে।” শহর থেকে দূরে হলে মণ্ডপ দর্শনে দর্শনার্থীরা সমস্যায় পড়বেন বলে আশংকা প্রকাশ করেছেন কনকবাবু।

--
----
--