পার্থসারথির হাত ধরে ‘অস্কার’ এল বাংলার প্রেক্ষাগৃহে

স্টার্ফ রিপোর্টার, কলকাতা: ছবির ভাবনাচিন্তা একেবারে অন্যরকম। এর আগে দর্শকের আকৃষ্ট করার জন্য বহু ধরণের গল্প নিয়ে কাজ করা হয়েছে। তবে এবার পরিচালকেরা জোর দিচ্ছেন সিনেমার অভিনব নামে৷ সেরকমই ছবি ‘অস্কার’। পরিচালক পার্থসারথি মান্না। সম্প্রতি হয়ে গেল ছবির স্পেশাল স্ক্রিনিংয়, উপস্থিত ছিলেন শকুন্তলা বড়ুয়া, খরাজ মুখোপাধ্যায়, অপরাজিতা আঢ্য, সাহেব ভট্টাচার্য ও আয়ুষি তালুকদার।

‘অস্কার’ নিয়ে খুবই আশাবাদী ছবির কলাকুশলীরা। তাই প্রথমেই অপরাজিতা বলেন, “নতুন পরিচালক কিন্তু খুব ভাল কাজ করছেন। একদম অন্য ধরণের একটি গল্প। আমরা সবাই আশাবাদী। এর আগে আমার ছবিটা দেখা হয়নি। আজকে প্রথমবার দেখব। আর বাংলাতে অস্কার নামটার জন্য আমরা সবাই আনন্দিত।” একই সঙ্গে নিজের চরিত্র সম্পর্কে তিনি বলেন, ” এখানে আমার চরিত্র বনেদি বাড়ির বউ৷ প্রথমে এই চরিত্রে না করে দিয়েছিলাম। কিন্তু পরিচালক বলেছিলেন আমায় ছাড়া চরিত্রটা অসম্ভব। তাই কাজে হ্যাঁ করলাম। বেশ ভালই লাগছে কাজ করে। আমরা। খুব মজা করে শ্যুটিং করেছিলাম।

সাহেব বলেন, “একেবারে অন্য রকম চরিত্র কাজ করে খুব ভাল লাগছে। ছবির নামটা একটু মজাদার হলেও ছবির গল্প একেবারে অন্য রকম”। ছবির কাহিনি নিয়ে নায়কের বক্তব্য, “একটা খুব মজার ছবি। ১৯৮৩ সালের প্রেক্ষাপটে অচিনপুর বলে একটি গ্রামের দুই ভাই স্বপ্ন দেখে যে তারা এমন একটি ছবি বানাবে যা অস্কারে যাবে। শেষ পর্যন্ত তারা ছবিটা বানাতে পারে কিনা সেটাই দেখার।”

এদিকে ‘অস্কার’ দিয়ে সিনেদুনিয়ায় এন্ট্রি নিচ্ছেন আয়ুষি। স্পেশাল স্ক্রিনিংয়ে এসে তিনি বলেন, “আজকে আমার প্রথম ছবি মুক্তি পেল। দর্শক আমাদের এই ছবির টিমকে অনেক ভালবাসা দেবেন। গল্পে আমার চরিত্রের নাম কোয়েল। যে রাতুলের গার্লফ্রেন্ড। দিদির সব কথা শুনে চলে সে। কিন্তু, সে নিজে ঠিক করতে পারে না যে রাতুলের কাছে যাবে, না দিদির কথা শুনবে।”

অন্যদিকে এছবিতে অভিনয় করে খুশি প্রিয়াংশুও। তিনি জানান, ” এই ছবিতে তিনি বনেদি বাড়ির ছেলের চরিত্রে অভিনয় করছেন। একেবারে রাজকীয় একটা ব্যাপার রয়েছে তাঁর চরিত্রে। ছবির গল্প হল সিনেমার মধ্যে সিনেমা। অন্য ভাবনাচিন্তা নিয়ে ছবিটি তৈরি করছেন পরিচালক।

অন্যদিকে খরাজ মুখোপাধ্যায়ের কথায়, ” কাজের অভিজ্ঞতা দারুণ। নতুন পরিচালক বলে মনেই হচ্ছেনা। যেহেতু শ্যুটিং ও করছি একটা বনেদি বাড়িতে তাই পুজো পুজো ফিলিংসটা একটু বেশিই হচ্ছে। তাছাড়া ছবির এমন কিছু লোকেশন আছে যেখানে আগে আমরা কাজ করিনি। যেমন ঝাড়খণ্ডের কিছু জায়গায় খুব গরমের মধ্যে কাজ করেছি। ছবির যে কটা দৃশ্যে আমি ছিলাম, সেই সব কটা দৃশ্যই খুব মজার। আর এই প্রথমবার পার্থর সঙ্গে কাজ করলাম। আর সামনেই বানানো হচ্ছে দুর্গা প্রতিমা। সব মিলিয়ে একেবারে জমজমাটি ভাবে কাজ করছি।”

Advertisement
---
-----