নয়াদিল্লি: দলিতদের সুরক্ষায় সংশোধিত বিলেই গাফিলতির অভিযোগ৷ আর তার জেরে দেশজুড়ে আগামিকাল ভারত বনধের ডাক দিয়েছে দলিত সংগঠনগুলি৷ মধ্যপ্রদেশ ও মহারাষ্ট্রে বনধের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ার সম্ভাবনা৷ তাই বুধবার থেকেই ১৪৪ ধারা জারি হয়েছে মধ্যপ্রদেশের বেশ কয়েকটি জেলায়৷

প্রিভেনশন অফ অ্যাট্রোসিটিস বা অত্যাচার নিবারণ সংশোধন বিল নিয়েই দলিতদের আপত্তি৷ চলতি বছরের ৬ অগাস্ট পার্লামেন্টে পাশ হয় এই বিল৷ যেখানে, আদিবাসী মহিলাদের উপর চলা অত্যাচার,গণধর্ষণের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে বিলটির ১৮-এ অ্যাক্টের সংশোধন করা হয়৷ বলা হয়, মহিলাদের উপর অত্যাচারের ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের পর শাস্তি পাবে দোষীরা৷ যা অত্যাচার নিবারণের জন্য যথেষ্ট নয় বলে মনে করছে দলিত সংগঠনগুলি৷

পড়ুন:‘কাশ্মীর ইস্যুতে বাজপেয়ীর দেখানো পথই অনুসরণ করা উচিত মোদীর’

এছাড়াও, অত্যাচার নিবারণ সংশোধনী বিলের একাধিক খাতে গাফিলতি আছে বলে অভিযোগ৷ সংশোধনী বিলের প্রতিবাদে মধ্যপ্রদেশের ভিন্ড,শিবপুরি, গোয়ালিয়র,গুনা,অশোকনগরে ইতিমধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়েছে৷ তাই, Criminal Procedure Code (CrPC)-অনুসারে ১৪৪ ধারা জারি হয়েছে ওই অঞ্চলগুলিতে৷ সোশ্যাল মিডিয়াকে হাতিয়ার করে নিজেদের বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছে বিভিন্ন SC/ST সংগঠনগুলি৷ তবে বৃহস্পতিবার আন্দোলনকারীরা ব্যাপকহারে বনধে যোগ দেবেন বলে মনে করা হচ্ছে৷ সেইভাবেই তৈরি থাকছে পুলিশ-প্রশাসন৷

এই একই দাবিতে ২ এপ্রিল বিক্ষোভ আন্দোলন মারাত্মক আকার নিয়েছিল গোয়ালিয়রে৷ সেই কারণেই পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে প্রশাসন৷ মহারাষ্ট্রেরও বেশ কয়েকটি এলাকায় আন্দোলনের তীব্রতা থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে৷ দেশজুড়ে ঘোষিত ভারত বনধে প্রভাব সবচেয়ে বেশি মহারাষ্ট্র ও মধ্যপ্রদেশে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর৷ সেই কারণেই, ভারত বনধের ঘোষণার পরই ২ রাজ্যের বিজেপি নেতৃত্ব সমস্ত মিটিং মিছিল বাতিল করেছে৷

----
--