স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: আপাদমস্তক স্মার্ট সিটি হওয়ার লক্ষ্যে ছুটছে বিধাননগর পুরসভা৷ বাড়ি বাড়ি ফিডব্যাক ফর্ম বিতরণের পাশাপাশি এবার তাঁরা নাগরিকদের মতামত চাইছে সোশ্যাল মিডিয়াতেও৷

দেশের ১০০টি ম্মার্ট সিটির তালিকায় স্থান পেয়েছে পশ্চিমবঙ্গের সল্টলেক , নিউটাউন, দুর্গাপুর ও হলদিয়া৷ বাংলার এই চারটি শহরের মধ্যে এখন স্মার্ট থেকে স্মার্টার হওয়ার লক্ষ্যে দৌড়চ্ছে সল্টলেক ও নিউটাউন৷ ‘আপনার স্বপ্নের স্মার্ট সিটি কেমন হবে ’–এই প্রশ্নের উত্তর জানতে ৪১টি ওয়ার্ডের বাড়িতে -বাড়িতে ইতিমধ্যেই ফিডব্যাক ফর্ম বিতরণ শুরু করেছে বিধাননগর পুরসভা৷ সেই সঙ্গে ইউটিউব ও ফেসবুকে ‘স্মার্ট বিধাননগর ’ এবং টুইটারে অবতীর্ণ হয়েও জনসংযোগ বাড়াতে ব্যস্ত বিধাননগর পুরনিগম ও নগরোন্নয়ন দন্তর৷ ফর্ম পূরণ হোক বা ভার্চুয়াল মাধ্যম ব্যবহার-প্রশাসন স্বতঃপ্রণোদিতভাবে যে ভাবে নাগরিকদের কাছে পৌঁছে তাঁদের মতামত জানতে চাইছে , সেই অভিনব কৌশল অবশ্যই স্মার্টার বলে মনে করছেন নাগরিকরা৷

Advertisement

দুর্গাপুর , হলদিয়া , নিউ টাউন ও বিধাননগরকে স্মার্ট সিটি হিসেবে গড়ে তোলার যে ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন মন্ত্রক , তার বাস্তবায়নেই নাগরিক মতামত নেওয়ার এই উদ্যোগ৷ পুরনিগম যে ফিডব্যাক ফর্ম বিতরণ করছে , তাতে উল্লেখ রয়েছে ২৫টি বিষয়ের৷ নাগরিক অংশীদারিত্ব , পরিচিতি এবং সংস্কৃতি থেকে শুরু করে হাঁটার রাস্তা , নিরাপত্তা , আইটি সংযোগ , বৈদ্যুতিক তার , জল সরবরাহ , জল ব্যবস্থাপনা , বর্জ্য জল , বাতাসের গুণগত মান , স্বাস্থ্য ব্যবস্থা /টয়লেট , বর্জ্য অপসারণ —‘স্মার্ট সিটি নির্দেশক প্যারামিটার ’ শীর্ষক অংশে একে -একে বিবিধ গুরুত্বপূর্ণ পুর -পরিষেবা সম্পর্কে অগ্রাধিকার ক্রমে নাগরিকদের নম্বর দিতে অনুরোধ করা হয়েছে ফর্মে৷ সেই সঙ্গে ‘স্মার্ট বিধাননগর সম্পর্কে আপনার দৃষ্টি ’ ও ‘স্মার্ট বিধাননগর সম্পর্কে আপনার লক্ষ্য ’ও সংক্ষেপে লিখতে পারেন আপনি৷ বিধাননগর পুরনিগমের মেয়র সব্যসাচী দত্ত বলেন , ‘চারটি পদ্ধতিতে নাগরিকদের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ যোগাযোগ স্থাপন করাছি আমরা৷ ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ফিডব্যাক দিতে অনুরোধ করা হচ্ছে৷

সল্টলেক ও নিউটাউনের বাসিন্দারা মনে করছেন, স্মার্ট সিটি হওয়ার লক্ষ্যে বিধাননগর প্রশাসন যতই দৌড়োক না কেন, এখনও তাঁদের দীর্ঘ পথ পেরোতে হবে৷ কারণ পাণীয় জল, নিকাশীর মতো বড় সমস্যা এখন প্রকট এই প্ল্যান সিটিতে৷ এই সমস্যাগুলোকে এড়িয়ে কোনওভাবেই স্মার্ট সিটি হয়ে ওঠা সম্ভব নয় বলেই মনে করছেন নাগরিকরা৷

----
--