নির্মল জেলার সম্মান পেল বীরভূম

স্টাফ রিপোর্টার, সিউড়ি: মুক্ত শৌচহীন বীরভূম। বৃহস্পতিবার সিউড়ি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে স্কুল ছাত্রদের সঙ্গে নির্মল বীরভূমকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার শপথ নিলেন দুই মন্ত্রী সহ জেলা প্রশাসনের কর্তারা।

কৃষিমন্ত্রী আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন, ‘‘নির্মল বীরভূম ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের দায়িত্ব আরও বেড়ে গেল।’’ মৎস্য মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ বলেন, ‘‘আমরা সারা বছর কাজ করেছি। তার ফল পেয়েছি। চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করবেন মুখ্যমন্ত্রী।’’

আরও পড়ুন: সংখ্যালঘু মহিলাদের ঋণ মমতার সরকারের

- Advertisement -

গ্রামোন্নয়ন দফতরের কমিশনার দিব্যেন্দু সরকার বলেন, ‘‘পিছন থেকে দৌড় শুরু করে আজ বীরভূম উৎসব পালন করছে। জেলা প্রশাসনের একাগ্রতা কতটা ছিল তা প্রকাশ পাচ্ছে। জেলার নিজস্ব মূল্যায়ণে তারা সফল। রাজ্য সরকারও একইসঙ্গে সমীক্ষা চালাছে। তাতে সফলতা পেলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলাকে নির্মল হিসাবে ঘোষণা করবেন।’’ জেলাশাসক পি মোহন গান্ধী জানিয়েছেন, ২০১১ সালের জনসমীক্ষা অনুসারে ৬ লক্ষ ৭৫ হাজার ১২২ টি পরিবারের মধ্যে ১ লক্ষ ৯৭ হাজার ১০২ টি পরিবার বাড়িতে শৌচে যেতেন। বাকিরা বাইরে। শতকরা হিসাবে ৭০ জন মানুষের মাঠে মুক্ত শৌচে যাওয়ার অভ্যাস ছিল।

আরও পড়ুন: সুমেরু অভিযানে গিয়ে বরফে বিলীন বাঙালি গবেষক

সেখান থেকে এদিনের উৎসব করতে পারা তাদের কাছে গর্বের। দিবেন্দু সরকার জানিয়েছেন, রাজ্যের মধ্যে ১১ তম জেলা নির্মল জেলা হিসাবে বীরভূম আজ উৎসব পালন করছে। অনেক পিছন থেকে এই অভিযান শুরু করেছিল বীরভূম। এখনও হাওড়া, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে বীরভূম এগিয়ে৷ বাচ্চাদের মল শৌচাগারে ফেলতে হবে। কারণ, সেটাও কম বিষাক্ত নয়। শিশুদের সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে খাওয়ার অভ্যাস জরুরি৷ নিজের বাড়ির পাশাপাশি নিজের এলাকাকে পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। তবেই প্রকৃত নির্মল হতে পারবে।

সিউড়ি ইন্ডোর স্টেডিয়ামকে এদিন নানা প্রতীকে নতুনভাবে সাজিয়ে তোলে হয়। নারায়নপুর মিশনের, অবিনাশপুর, বিশ্বভারতীর ছাত্র-ছাত্রীরা নানা অনুষ্ঠান করে। প্রকাশ করা হয় একটি বইও। কৃষিমন্ত্রী আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় এই জেলা এগিয়ে চলেছে। এদিন সেই অগ্রগতির পথে একটা নতুন পালক যোগ হল।’’

আরও পড়ুন: বাবুলের মুখে ‘রকের ভাষা’ শুনেছেন পার্থ

Advertisement ---
---
-----