বিজেপি অফিসে ভাঙচুরে নাম জড়াল তৃণমূলের

স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: অমিত শাহের বাংলা সফরের পরদিনই বাঁকুড়ায় বিজেপি অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল৷ অভিযোগের আঙুল শাসকদলের কর্মী-সমর্থকদের দিকে৷ বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের ঘটনা৷ দলীয় কার্যালয় ভাঙচুরের পাশাপাশি গাড়ি ভাঙচুরেরও অভিযোগ উঠেছে৷ তৃণমূল অবশ্য অভিযোগ মানতে নারাজ৷

বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, রবিবার দুপুরে তাদের বিষ্ণুপুর শহরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে সাংগঠনিক কার্যালয়ে একদল তৃণমূলআশ্রিত দুষ্কৃতি হামলা চালিয়েছে। এই ঘটনায় অফিসে থাকা বেশ কিছু নগদ টাকা, আলমারি ভেঙে কাগজপত্র নিয়ে গিয়েছে দুষ্কৃতীরা৷ পাশাপাশি দলীয় কার্যালয়ে থাকা চেয়ার, টেবিল, এলসিডি টিভি, কম্পিউটার, প্রিন্টারও ভেঙে ফেলা হয়েছে৷

- Advertisement -

বিজেপি কার্যালয়ের বাইরে দাঁড় করানো ছিল একটি গাড়ি৷ সেটিও ভাঙচুর করে হামলাকারীরা বলে অভিযোগ৷ পাশাপাশি বিজেপির অভিযোগ, এই ঘটনা পুলিশকে জানালেও এখনও পর্যন্ত পুলিশের পক্ষ থেকে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি৷

আগামী ২০ আগষ্ট বিষ্ণুপুর সংলগ্ন রাধানগর ফুটবল মাঠে সভা করতে আসছেন তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতি-সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগে শাসকদলের বিরুদ্ধে বিজেপির দলীয় কার্যালয় ভাঙার অভিযোগ ওঠায় কিছুটা হলেও অস্বস্তিতে তৃণমূল। যদিও স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন৷ বরং তাদের দাবি, এসব বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল৷

বিজেপির বিষ্ণুপুর জেলা সাংগঠনিক সভাপতি স্বপন ঘোষের অভিযোগ, তৃণমূলের গুণ্ডাবাহিনী তাদের দলীয় পতাকা নিয়ে এসে এখানে হামলা চালিয়েছে। সরকারি অফিসাররা ‘দলদাসে’ পরিনত হয়েছেন৷ তাই শৃঙ্খলারও অবনতি হয়ে চলেছে৷ এ রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বলে কিছু নেই।

এদিকে বিষ্ণুপুর পুরসভার প্রধান, তৃণমূল নেতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এই ঘটনায় তৃণমূলের জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন৷ তাঁর কথায় ‘এটা হতে পারে না৷’ তিনি এরকম কোনও ঘটনার খবর পাননি বলেও দাবি করেন৷ সাংবাদিকদের মুখেই প্রথম শুনলেন৷ বিজেপি অবশ্য এই ঘটনার পর হুমকি দিয়েছে, প্রশাসনিক পথে সমাধান না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে তারা৷

Advertisement
---